Dhaka রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৪ ট্রেন লিজের চুক্তি বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বেসরকারি অপারেটর দিয়ে পরিচালিত ২৪টি ট্রেনের লিজ বাতিল করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। চুক্তির শর্ত না মানার অভিযোগে এই চুক্তি বাতিল করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. নাহিদ হাসান খান গণমাধ্যমকে লিজ বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই ২৪টি ট্রেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন এবং তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রিপন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বরিশাল-৫ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গত সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু মন্ত্রী ও রেলের অসাধু কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কমিউটার ট্রেনগুলো পরিচালনা করছিলেন।

জানা যায়, রিপন এবং তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন ওই সংস্থাগুলো প্রাথমিকভাবে চার বছরের জন্য ২৪টি ট্রেন পরিচালনার চুক্তি জিতেছিল। কিন্তু তারা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সেগুলো চালাতে থাকে। মেয়াদ শেষ হলেও রেল মন্ত্রণালয় কোনো নতুন বিডিং ছাড়াই তাদের চুক্তি বাড়ায়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৪৯৮ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ আটক ১

২৪ ট্রেন লিজের চুক্তি বাতিল

প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বেসরকারি অপারেটর দিয়ে পরিচালিত ২৪টি ট্রেনের লিজ বাতিল করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। চুক্তির শর্ত না মানার অভিযোগে এই চুক্তি বাতিল করা হয়।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. নাহিদ হাসান খান গণমাধ্যমকে লিজ বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই ২৪টি ট্রেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সালাউদ্দিন রিপন এবং তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রিপন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বরিশাল-৫ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গত সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু মন্ত্রী ও রেলের অসাধু কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কমিউটার ট্রেনগুলো পরিচালনা করছিলেন।

জানা যায়, রিপন এবং তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন ওই সংস্থাগুলো প্রাথমিকভাবে চার বছরের জন্য ২৪টি ট্রেন পরিচালনার চুক্তি জিতেছিল। কিন্তু তারা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সেগুলো চালাতে থাকে। মেয়াদ শেষ হলেও রেল মন্ত্রণালয় কোনো নতুন বিডিং ছাড়াই তাদের চুক্তি বাড়ায়।