Dhaka বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১২ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৩৯১ ফ্লাইট বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত আরো ২৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বুধবার (১১ মার্চ) পর্যন্ত মোট ১২ দিনে ৩৯১টি ফ্লাইট বাতিল করা হলো।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা কাওছার মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। বর্তমানেও তা বন্ধ রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হচ্ছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র জানায়, যুদ্ধপরিস্থিতিতে আকাশপথ বন্ধের কারণে ঢাকা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি এবং ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২ টি ফ্লাইট বাতিল হয়।

বুধবার (১১ মার্চ) বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে– কুয়েত এয়ারের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএই) ৪টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের (ইউএই) ৪টি, জাজিরা এয়ারের (কুয়েত) ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের (ইউএই) ৪টি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সর্বমোট বাতিল করা ফ্লাইটের সংখ্যা ৩৯১টি।

তবে আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ না থাকায় কিছু ফ্লাইট সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ৩৬৪টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পনায় ছিল। এর মধ্যে শুধু গতকাল মাস্কাটগামী ৮টি, সৌদি আরবগামী ১৯টি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ১২টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলোর মধ্যে দুবাইয়ে ৫টি, আবুধাবিতে ১টি ও শারজাহয় ৬টি ফ্লাইট রয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনায় এই অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এ অবস্থায় যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নিরাপদ ও সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

১২ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৩৯১ ফ্লাইট বাতিল

প্রকাশের সময় : ১২:১৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত আরো ২৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বুধবার (১১ মার্চ) পর্যন্ত মোট ১২ দিনে ৩৯১টি ফ্লাইট বাতিল করা হলো।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা কাওছার মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। বর্তমানেও তা বন্ধ রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হতে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং হচ্ছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্র জানায়, যুদ্ধপরিস্থিতিতে আকাশপথ বন্ধের কারণে ঢাকা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি এবং ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২ টি ফ্লাইট বাতিল হয়।

বুধবার (১১ মার্চ) বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে– কুয়েত এয়ারের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএই) ৪টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের (ইউএই) ৪টি, জাজিরা এয়ারের (কুয়েত) ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের (ইউএই) ৪টি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সর্বমোট বাতিল করা ফ্লাইটের সংখ্যা ৩৯১টি।

তবে আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ না থাকায় কিছু ফ্লাইট সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ৩৬৪টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পনায় ছিল। এর মধ্যে শুধু গতকাল মাস্কাটগামী ৮টি, সৌদি আরবগামী ১৯টি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ১২টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলোর মধ্যে দুবাইয়ে ৫টি, আবুধাবিতে ১টি ও শারজাহয় ৬টি ফ্লাইট রয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনায় এই অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এ অবস্থায় যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।