Dhaka বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অডিটের জন্য ৬০০ প্রতিষ্ঠান নির্বাচন এনবিআরের

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০৬ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এনবিআরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘অটোমেটিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল’ সফলভাবে চালু করা হয়েছে। এই মডিউলে ২০টি ঝুঁকি সূচক (রিস্ক ক্রাইটেরিয়া) নির্ধারণ করে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

এতে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত ওয়েটেজ বা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলো বাছাই করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। ফলে অডিট নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে, যা করদাতা ও সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

এনবিআর জানায়, এই পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অডিট শেষে প্রত্যাশিত ফল না এলে রিস্ক ক্রাইটেরিয়া ও ব্যবহৃত ওয়েটেজ পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে।

নতুন এই ব্যবস্থায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৬০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকা এনবিআর-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০৫টি উৎপাদনকারী, ৯৮টি সেবাদানকারী, ৬৫টি খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা এবং ৩২টি আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এনবিআর আশা করছে, স্বয়ংক্রিয় এ পদ্ধতি চালুর ফলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়বে। একই সঙ্গে করদাতাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধও জোরদার হবে।

স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থার আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৬০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকা এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪০৫টি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ৯৮টি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ৬৫টি খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ৩২টি আমদানিকারক ও রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান।

এনবিআর আশা প্রকাশ করেছে, ভ্যাট অডিটে প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের এ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর ফলে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে ভ্যাট ব্যবস্থাপনা আরো করদাতাবান্ধব হবে এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অডিটের জন্য ৬০০ প্রতিষ্ঠান নির্বাচন এনবিআরের

প্রকাশের সময় : ১১:৪৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৬০০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এনবিআরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ই-ভ্যাট সিস্টেমে ‘অটোমেটিক রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল’ সফলভাবে চালু করা হয়েছে। এই মডিউলে ২০টি ঝুঁকি সূচক (রিস্ক ক্রাইটেরিয়া) নির্ধারণ করে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

এতে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নির্ধারিত ওয়েটেজ বা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলো বাছাই করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। ফলে অডিট নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে, যা করদাতা ও সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।

এনবিআর জানায়, এই পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর অডিট শেষে প্রত্যাশিত ফল না এলে রিস্ক ক্রাইটেরিয়া ও ব্যবহৃত ওয়েটেজ পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে।

নতুন এই ব্যবস্থায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৬০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকা এনবিআর-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০৫টি উৎপাদনকারী, ৯৮টি সেবাদানকারী, ৬৫টি খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা এবং ৩২টি আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এনবিআর আশা করছে, স্বয়ংক্রিয় এ পদ্ধতি চালুর ফলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়বে। একই সঙ্গে করদাতাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধও জোরদার হবে।

স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থার আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৬০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকা এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪০৫টি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ৯৮টি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ৬৫টি খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ৩২টি আমদানিকারক ও রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান।

এনবিআর আশা প্রকাশ করেছে, ভ্যাট অডিটে প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের এ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর ফলে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে ভ্যাট ব্যবস্থাপনা আরো করদাতাবান্ধব হবে এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।