চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :
সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেলের একটি চালান নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙরে এসে পৌঁছেছে ‘ইয়ান জিং হে’ নামের একটি জাহাজ। শিগগিরই আরও দুটি জাহাজ ডিজেল নিয়ে বন্দরে ভিড়বে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে বন্দরের ডলফিন জেটিতে তেল খালাসের জন্য ‘এমটি ইউয়ান জিং হে’ নামে জাহাজটি ভেড়ানো হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়াত হামিম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দরের কাছাকাছি পৌঁছেছে। জাহাজটি গত ২৯ মার্চ মালয়েশিয়া থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়।
তিনি বলেন, জাহাজটি বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে সেটি বন্দরে পৌঁছাতে পারে। এ ছাড়া চীন থেকে রওনা দেওয়া আরেকটি এলপিজিবাহী জাহাজ শনিবার (৪ এপ্রিল) নাগাদ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে।
ইয়ান জিং হে ও শান গ্যাং ফা জিয়ান নামের জাহাজ দুটির শিপিং এজেন্ট প্রাইডের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম বলেন, আজ ভোরে ভেড়া জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের কিছু বেশি ডিজেল নিয়ে এসেছে। জাহাজটি ডলফিন জেটিতে বার্থিংয়ের অপেক্ষায় আছে। রাতে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে মালয়েশিয়া থেকে আসছে শান গ্যাং ফা জিয়ান।
এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর চট্টগ্রাম বন্দরে ডিজেল নিয়ে আসা নবম জাহাজটি ইতোমধ্যে পৌঁছেছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বিকল্প উৎস থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বিপিসি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জি-টু-জি মেয়াদি চুক্তি ও আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির মাধ্যমে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এ কাজটি বড় চ্যালেঞ্জিং হলেও বিপিসি পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে। সেন্ট্রাল স্টার নামের তেলবাহী জাহাজে ২৫ হাজার টন অকটেন আমদানি করা হয়েছে। যা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি 


















