Dhaka শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রুমায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৩ কেএনএ সন্ত্রাসী নিহত

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি : 

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় গহীন জঙ্গলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে।

রোববার (২৪ নভেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানায়, বান্দরবানের রুমা উপজেলার গহীন জঙ্গলে সেনাবাহিনী কেএনএ-এর গোপন আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৩ কেএনএ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এছাড়া অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। অভিযান এখানো চলমান রয়েছে।

২০২২ সালের এপ্রিলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বান্দরবানে আত্মপ্রকাশ করে। জানা যায়, কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য তিন বছর আগে গেরিলা প্রশিক্ষণের জন্য মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে যায়। ২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে। এই দলের সদস্যরাই এখন পাহাড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

৫০ হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

রুমায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৩ কেএনএ সন্ত্রাসী নিহত

প্রকাশের সময় : ০১:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৪

বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি : 

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় গহীন জঙ্গলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে।

রোববার (২৪ নভেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইএসপিআর জানায়, বান্দরবানের রুমা উপজেলার গহীন জঙ্গলে সেনাবাহিনী কেএনএ-এর গোপন আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ৩ কেএনএ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এছাড়া অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। অভিযান এখানো চলমান রয়েছে।

২০২২ সালের এপ্রিলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বান্দরবানে আত্মপ্রকাশ করে। জানা যায়, কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য তিন বছর আগে গেরিলা প্রশিক্ষণের জন্য মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে যায়। ২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে। এই দলের সদস্যরাই এখন পাহাড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে।