Dhaka শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজানের বাজার আকাশছোঁয়া দাম এখন নিম্নমুখী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা এবং দামের উত্তাপ দেখা দিয়েছিল, তা এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে এসেছে। রোজার প্রথম সপ্তাহের সেই আকাশছোঁয়া দাম এখন নিম্নমুখী। বিশেষ করে ইফতার সামগ্রী তৈরির প্রধান উপকরণ লেবু, শসা ও বেগুনের দাম কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। পাশাপাশি আলু ও পেঁয়াজের বাজারেও বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এসব বাজারে শীতকালীন সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা ২০ টাকা কমেছে। বাজারে সিম কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, সালগম ৬০ টাকা, ফুল কপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায় গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স কেজিতে ২০ টাকা কমে ১২০ টাকা, কচুরমুখীর ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা, হাইব্রিড ১০০ এবং খিড়াই ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া লেবুর দামও কমতে শুরু করেছে। এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেশি ধনে পাতা ১৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ১০০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস। তবে কেপসিক্যামের দাম কমে ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শাকের বাজারে দেখা যায়. লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা যায়, সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ৩২০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি কেজিতে ২৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার কেজিতে ৩০ টাকা কমে ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৫ টাকা কমে ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে মাংসের বাজারে দেখা যায়, গরুর মাংস ৮০০ টাকায়, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছ। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায় , এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বন্ধ করে দেওয়া বিমানবন্দরগুলো আগে চালু করা হবে : বিমান প্রতিমন্ত্রী

রমজানের বাজার আকাশছোঁয়া দাম এখন নিম্নমুখী

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা এবং দামের উত্তাপ দেখা দিয়েছিল, তা এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে এসেছে। রোজার প্রথম সপ্তাহের সেই আকাশছোঁয়া দাম এখন নিম্নমুখী। বিশেষ করে ইফতার সামগ্রী তৈরির প্রধান উপকরণ লেবু, শসা ও বেগুনের দাম কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। পাশাপাশি আলু ও পেঁয়াজের বাজারেও বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এসব বাজারে শীতকালীন সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা ২০ টাকা কমেছে। বাজারে সিম কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে টমেটো ৪০ থেকে ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, সালগম ৬০ টাকা, ফুল কপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং লাউ ৫০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায় গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন কেজিতে ৪০ টাকা কমে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, করলা কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স কেজিতে ২০ টাকা কমে ১২০ টাকা, কচুরমুখীর ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধুন্দল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা, হাইব্রিড ১০০ এবং খিড়াই ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া লেবুর দামও কমতে শুরু করেছে। এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দেশি ধনে পাতা ১৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ৬০ থেকে ১০০ কেজি, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস। তবে কেপসিক্যামের দাম কমে ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শাকের বাজারে দেখা যায়. লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা, পালং শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির বাজার ঘুরে দেখা যায়, সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ৩২০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি কেজিতে ২৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার কেজিতে ৩০ টাকা কমে ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৫ টাকা কমে ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে মাংসের বাজারে দেখা যায়, গরুর মাংস ৮০০ টাকায়, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছ। ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকায় , এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।