Dhaka শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, আরেকটা দল ভোটের জন্য এসেছে। তাদের মার্কা হলো দাঁড়িপাল্লা। ৭১ সালে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। অনেক লোককে মেরে ফেলেছে। মা-বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তারা এখনো মাফ চাননি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না এসব ভাঁওতাবাজি আর ধান্দাবাজি। ভোট দিলে নাকি জান্নাতে যাওয়া যাবে, এসব কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন। গত ১৫-১৬ বছর দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ঝগড়াঝাঁটি না করে সঠিক মানুষকে নির্বাচিত করতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের উন্নতির জন্য। শান্তিতে থাকার জন্য। বিগত সময় গুলোতে আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি। ১৫ বছর পর খারাপ সময় পার করেছি। এখন সুসময় এসেছে, দেশে একটা ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। এরকম একটা আশা জেগেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমিও মন্ত্রী ছিলাম, কেউ বলতে পারবেন না এক কাপ চা খেয়েছি। নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী। ভোট চাওয়ার জন্য এসেছি। মার্কা হলো ধানের শীষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটি দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। অনেক মানুষ হত্যা করা হয়েছে, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ঘটানো হয়েছে। এসবের জন্য তারা এখনো ক্ষমা চায়নি। যারা ১৯৭১ সালের জন্য ক্ষমা চায়নি, তারা কীভাবে ভোট চাইতে পারে—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার পর্যন্তসুদসহ কৃষিঋণ মাফ করে দেওয়া হবে। এনজিও এর যত টাকা ঋণ আছে তার দায় সরকার নেবে। মায়েদের মওকুফ করে দেয়া হবে। এছাড়া মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। শিক্ষিত বেকারের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। সকল ধর্মের মানুষেরা শান্তিতে থাকবেন।

নির্বাচনী পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন শুরুর তারিখ নির্ধারণ

যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় : মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময় : ০১:০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, আরেকটা দল ভোটের জন্য এসেছে। তাদের মার্কা হলো দাঁড়িপাল্লা। ৭১ সালে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন করেনি। অনেক লোককে মেরে ফেলেছে। মা-বোনদের ইজ্জত নষ্ট করেছে। তারা এখনো মাফ চাননি।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিকাশ নম্বর কাউকে দেবেন না এসব ভাঁওতাবাজি আর ধান্দাবাজি। ভোট দিলে নাকি জান্নাতে যাওয়া যাবে, এসব কথা সঠিক নয়। আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন। গত ১৫-১৬ বছর দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ঝগড়াঝাঁটি না করে সঠিক মানুষকে নির্বাচিত করতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের উন্নতির জন্য। শান্তিতে থাকার জন্য। বিগত সময় গুলোতে আমরা শান্তিতে থাকতে পারিনি। ১৫ বছর পর খারাপ সময় পার করেছি। এখন সুসময় এসেছে, দেশে একটা ভালো নির্বাচন হবে। সবাই ভোট দিতে পারবে। এরকম একটা আশা জেগেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমিও মন্ত্রী ছিলাম, কেউ বলতে পারবেন না এক কাপ চা খেয়েছি। নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে আমি প্রার্থী। ভোট চাওয়ার জন্য এসেছি। মার্কা হলো ধানের শীষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন। আপনারা আমাকে কাজ করার সুযোগ করে দেবেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটি দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। অনেক মানুষ হত্যা করা হয়েছে, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ঘটানো হয়েছে। এসবের জন্য তারা এখনো ক্ষমা চায়নি। যারা ১৯৭১ সালের জন্য ক্ষমা চায়নি, তারা কীভাবে ভোট চাইতে পারে—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার পর্যন্তসুদসহ কৃষিঋণ মাফ করে দেওয়া হবে। এনজিও এর যত টাকা ঋণ আছে তার দায় সরকার নেবে। মায়েদের মওকুফ করে দেয়া হবে। এছাড়া মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। শিক্ষিত বেকারের জন্য ১৮ মাসে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। সকল ধর্মের মানুষেরা শান্তিতে থাকবেন।

নির্বাচনী পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।