বরিশাল জেলা প্রতিনিধি :
বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা মুসল্লিদের নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে এমভি সাব্বির-৩ নামে একটি লঞ্চের ধাক্কায় মোল্লা ভাই ভাই নামে বালুবাহী একটি বাল্কহেড ডুবির ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
মেহেন্দিগঞ্জের কালিগঞ্জ নৌ-পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসময় বল্কহেডে থাকা চার ব্যক্তিকে উদ্ধার করে নদীতে থাকা জেলেরা। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জেলেরা জানিয়েছেন, চরমোনাইর মাহফিল শেষে মুসল্লিদের নিয়ে চরমোনাই থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল এমভি সাব্বির-৩ নামক লঞ্চটি। পথিমধ্যে কালিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকা অতিক্রমকালে লঞ্চটির সাথে মোল্লা ভাই ভাই নামের বালুবাহী একটি বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় একটি কার্গো জাহাজের স্টাফ রাজা মিয়া জানান, সংঘর্ষের সঙ্গে সঙ্গে মেঘনা নদীতে বাল্কহেডটি ডুবে যায়। এসময় স্থানীয় জেলেরা বাল্কহেডে থাকা চার ব্যক্তিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কালিগঞ্জ নৌ-পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. এনামুল হক জানিয়েছেন, ঘটনার পরপরই নদীতে থাকা স্থানীয় জেলেরা ডুবে যাওয়া মোল্লা ভাই ভাই নামের বাল্কহেডের স্টাফদের উদ্ধার করেছে। তার সবাই সুস্থ রয়েছেন। পাশাপাশি এমভি সাব্বির-৩ লঞ্চটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় সেটি গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ মাহফিল শেষ হয়। এর আগে গত মুসল্লিদের নিয়ে আসা লঞ্চ এমভি মানিক বুধবার দুপুরে তীরে নোঙর করা অবস্থায় কাত হয়ে ডুবে নদীর ৫৫ ফুট গভীরে চলে যায়। কীর্তনখোলা নদীতে ভাটার কারণে পানি কমে যাওয়ায় লঞ্চটি তালিয়ে যায়। এছাড়াও বুধবার রাতে মুসল্লিবাহী কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল জেলা প্রতিনিধি 






















