নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, আইপিএল ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশের ব্যবসায় কোনো নেতিবাচক প্রভাব আমরা দেখছি না। ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসায়ী কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নতুন আমদানি নীতি আদেশ-সংক্রান্ত এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, আমরা উদার বাণিজ্যে বিশ্বাস করি। পৃথিবীর সমস্ত দেশের সঙ্গে আমাদের উদার বাণিজ্য কার্যক্রম চালু রয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত না হয়, সে পর্যন্ত আমরা দেশ স্পেসিফিক কোনো ‘বাই লেটারাল’ সিদ্ধান্ত নেই না। সামগ্রিকভাবে আমরা উদার বাণিজ্যে বিশ্বাসী।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন ধরনের ট্রেড মেজারস নেওয়া হয়েছে, এটার কোনো ইমপ্যাক্ট এসেছে কিনা সেটা দেখছি। আইপিএল নিয়ে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়বে না।
বর্তমানে রপ্তানি বাণিজ্য কিছুটা কমেছে এবং উদার বাণিজ্যে কিছুটা সংকট রয়েছে স্বীকার করে উপদেষ্টা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আসন্ন রমজানে জিনিসপত্রের দাম স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ১৯ জানুয়ারি সচিবালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা।
বিদ্যমান আমদানি নীতি আদেশের (২০২১-২৪) থেকে বড় পরিবর্তন এনে ২০২৫-২০২৮ মেয়াদের জন্য নতুন আমদানি নীতি আদেশের (আইপিও) খসড়া তৈরি করা হয়েছে বলে জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আমরা আমদানি আইপিও অর্ডারের বড় পরিবর্তনগুলো করার চেষ্টা করছি, সেগুলো কেবিনেটের মাধ্যমে চুড়ান্ত হলে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে আমদানি নীতি আদেশ আমরা উদারী করার প্রচেষ্টা করছি। সহজ করারো চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, আমার বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে মিটিং করেছি আজ। খুব দ্রুতই আমরা সেটা কেবিনেটে উপস্থাপণের চেষ্টা করছি। আগামী কেবিনেটে না হলে পরবর্তী ক্যাবিনেটে এটি উঠবে।
এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, দৈনন্দিন দিনের যেসব ঘটনা এগুলোতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে ভারত বিভিন্ন স্থলবন্দর বন্ধ করে দিয়ে, গত মে মাসে, বাংলাদেশের থেকে রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে তার ফলে আমাদের রপ্তানি কমেছে। কিন্তু আমারা সে ধরনের কাউন্টার মেজারস নেইনি।
এ সময় ভারতে পাট রপ্তানি বন্ধের পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, সেটি আমরা আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ও জোগান ঠিক রাখার জন্য করা হয়েছে। অন্য একটি দেশকে ক্ষতি করার জন্য কিছু করা হয়নি। আমাদের নীতিগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে নেওয়া, আরেকটা দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য কখনো করা হয়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















