নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পদযাত্রা কর্মসূচিতে হামলা, গুলি ও হত্যার প্রতিবাদে শোকমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো। ঢাকায় বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই শোকমিছিল বের হবে।
বুধবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীতে নির্দলীয় অন্তর্র্বতী সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে বিএনপির দ্বিতীয় দিনের পদযাত্রার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে মির্জা আব্বাস বলেন, দুইদিনের পদযাত্রা কর্মসূচিতে প্রমাণিত হয়েছে এ সরকারের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।
তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে এ আন্দোলন। আর জনগণের জন্য এ সরকারকে হটাতে হবে। যত হত্যা গুম খুন হয়েছে তার জন্য এ সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এ সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন হবে না। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই হবে নির্বাচন। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। ফিরে আসবে গণতন্ত্র।
আদালতের দোহাই দিয়ে রেহাই পাবেন না উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, প্রত্যেকটা গুম-খুনের পাই পাই হিসেব নেওয়া হবে।
এদিন সকালে রাজধানীর উত্তরার আবদুল্লাহপুর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত পদযাত্রা করে বিএনপি। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়কে গিয়ে পদযাত্রা শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মির্জা আব্বাস এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, কেন্দ্রীয় বিএনপি বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, ঢাকা মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নবীউল্লাহ নবী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মোহাম্মদ জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীসহ আরও অনেকে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















