Dhaka রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার ফাঁদ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী সবুজ রানা। ফেসবুকে দেখতে পান, আকর্ষণীয় বেতনে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লোডার পদে নিয়োগ চলছে। বিস্তারিত জানার জন্য দেওয়া হয় একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। ওই নম্বরে যোগাযোগ করেন সবুজ। সেখান থেকে বলা হয় চাকরির জন্য তাদের একটি নির্ধারিত ফরম রয়েছে। ওই ফরম নিতে হলে ৫০০ টাকা দিতে হবে। এরপর ফরম পূরণ করে পাঠাতে হবে। পাঠানোর পর আরও ২ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে। সব মিলিয়ে দিতে হবে ৩ হাজার টাকা। এরপর তারা নিয়োগপত্র পাঠিয়ে দেবেন। সরাসরি বিমানবন্দরে চাকরিতে যোগদান করতে পারবেন।

এমন কথায় সবুজ ৩ হাজার টাকাসহ ফরম পূরণ করে পাঠান। এরপর দুদিন ওই নম্বরে কথাও বলেন। কয়েকদিন পর থেকেই নম্বর বন্ধ পান। সবুজ বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারিত হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই এলাকা থেকে যে শুধু সবুজই প্রতারিত হয়েছেন এমন নয়, পাশের বাগমারা, মান্দা, নওগাঁ সদরসহ আশপাশের কয়েক এলাকার কয়েক হাজার যুবক বিমানবন্দরে চাকরি করবেন এমন আশায় এই প্রতারকদের খপ্পড়ে পড়েছেন। প্রত্যেক যুবকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩ হাজার করে টাকা। অর্থাৎ কয়েক হাজার যুবকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র।

জানা গেছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিভিন্ন পদে চাকিরর লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে দেশজুড়েই প্রতারণার জাল বিছিয়েছে ওই চক্র। ফেসবুক কিংবা বিভিন্ন এলাকায় দালাল নিয়োগ করে বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। এমনকি চাকরির নিয়োগপত্র নিয়ে বিমানবন্দরেও চলে আসছেন ভুক্তভোগীরা। এসে দেখেন তাদের ওই কাগজ ভুয়া। পরে তারা ফেরতও যাচ্ছেন।

বুধবার (২ এপ্রিল) বিমানবন্দরে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়া ২২ জন মৌলভীবাজার থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসেন। সেখানে তারা জানতে পারেন তাদের নিয়োগপত্র ভুয়া।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে তাদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্রটি।

প্রতারণার শিকার হওয়া ভুক্তভোগীরা হলেন- কমলগঞ্জ উপজেলার আদকানি গ্রামের মো. আইন উদ্দিন মিয়া (৩৩), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (২৬), মুনসুর আলী (১৯), মজিব আলী (১৯), জিয়াউর রহমান (১৯), রুসমত আলী (২৬), আলাউদ্দিন মিয়া (২১), সফুর মিয়া (৩০), মইনুল আলম (২১), মাসরুর রহমান (২০), আব্দুল হোসেন (২৫), সোহাগ আহমেদ (১৭), চেরাগ আলী (২৫), শাহ সাইদুজ্জামান (২৬), মো. আরকান আলী (২০), শাহ মাহবুব (১৯), নাইম হোসেন (২১), শিপন মিয়া (২০), দেলোয়ার হোসেন (২১), মো. জহির (২৫), হারুন মিয়া (৪০), খলিলুর রহমান (১৯) ও কুতুব মিয়া (৪০)।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ পলাশ ও তার সহযোগীরা তাদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের সবাইকে বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগের লেবার হিসেবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। সবার কাছ থেকে ২০-৩৫ হাজার টাকা জামানত এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৫-৭ হাজার টাকাসহ নানা অজুহাতে টাকা নিয়েছে চক্রটি।

আজ তাদের বিমানবন্দরে কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর ওই চক্রের কাউকে খুঁজে পান না ভুক্তভোগীরা। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের ব্লক করে দেয় প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী নাইম হোসেন বলেন, আমি দিনমজুরের কাজ করি। কিন্তু একটু ভালো থাকার আশায় বিমানবন্দরে কার্গোর লেবার হিসেবে চাকরির জন্য দালালের মাধ্যমে এসেছিলাম। বিমানবন্দরে আসার পরও শাহজাহান নামে ওই দালালের সঙ্গে কথা হয়। পরে সে আসছি বলে সব জায়গায় ব্লক এবং ফোন বন্ধ করে দিয়ে আর আসেনি।

তিনি বলেন, ওই দালাল আমাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে। মেডিক্যাল পরীক্ষা, ভ্যাকসিন, ব্যাংক ড্রাফটের কথা বলে, ভ্যাকসিনের কার্ড বের করে দেওয়ার নানা অজুহাতে আমাদের কাছ থেকে এসব টাকা নেয়।

আরেক ভুক্তভোগী আইন উদ্দিন মিয়া বলেন, আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হই। তখন শাহজাহানের সঙ্গে আমার কমলগঞ্জ থানার সামনে পরিচয় হয়। সে আমাকে টাকা তুলে দেবে বলেছিল। পরে ওই দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাকে গত মাসের ২৫ তারিখে টাকা তুলে দেওয়ার কথা বলেছিল।

তিনি বলেন, শাহজাহান আমাকে বলেছে, সে দীর্ঘদিন বিমানবন্দরে ঠিকাদারি করেছে। প্রতি বছর বিমানবন্দরে লেবার (শ্রমিক) নেয়। পরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমাকে দিয়ে অনেক লোকজন জড়ো করে। একেকজনের কাছ থেকে ১০-৩০ হাজার টাকা করে নিয়েছে।

জানা গেছে, এসব ঘটনা নিয়ে প্রতারক চক্রের সন্ধানে কাজ শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার নাম করে এর আগেও বহু প্রতারণার ঘটনা রয়েছে। অনেক সময় তারা গ্রেফতারও হয়েছে। জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও এ ধরনের প্রতারণায় যোগ দিয়েছে।

কর্মকর্তকারা বলছেন, বিষয়গুলো নিয়ে তারা কাজ করছেন, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় হবে।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা থানায় অভিযোগ দিলে বিষয়গুলো তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। অনেক সময় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ করেন না। সে ক্ষেত্রে প্রতারকদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব না।

তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আসলে জনসচেতনতা প্রয়োজন। কোনটি সঠিক নিয়োগ বিজ্ঞাপন আর কোনটি ভুয়া, সেগুলো যাছাই-বাছাই করে তারপর তাদের অগ্রসর হওয়া উচিত।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, প্রতারকদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। আর যারা ভুক্তভোগী তাদের সচেতনতা হওয়া প্রয়োজন। একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখলে সেটা সত্য না মিথ্যা এগুলো জানা দরকার।

তিনি বলেন, প্রতারকরা নানা ফাঁদ পাতে। আমরা সচেতন হলে তাদের ফাঁদ কাজ করবে না। আগে আমাদের সচেতন হতে হবে।

আবহাওয়া

রাজধানীতে অবৈধ নাইট কোচ কাউন্টার সরাতে ডিএমপির গণবিজ্ঞপ্তি

বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার ফাঁদ

প্রকাশের সময় : ১২:২২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী সবুজ রানা। ফেসবুকে দেখতে পান, আকর্ষণীয় বেতনে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লোডার পদে নিয়োগ চলছে। বিস্তারিত জানার জন্য দেওয়া হয় একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। ওই নম্বরে যোগাযোগ করেন সবুজ। সেখান থেকে বলা হয় চাকরির জন্য তাদের একটি নির্ধারিত ফরম রয়েছে। ওই ফরম নিতে হলে ৫০০ টাকা দিতে হবে। এরপর ফরম পূরণ করে পাঠাতে হবে। পাঠানোর পর আরও ২ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হবে। সব মিলিয়ে দিতে হবে ৩ হাজার টাকা। এরপর তারা নিয়োগপত্র পাঠিয়ে দেবেন। সরাসরি বিমানবন্দরে চাকরিতে যোগদান করতে পারবেন।

এমন কথায় সবুজ ৩ হাজার টাকাসহ ফরম পূরণ করে পাঠান। এরপর দুদিন ওই নম্বরে কথাও বলেন। কয়েকদিন পর থেকেই নম্বর বন্ধ পান। সবুজ বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারিত হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই এলাকা থেকে যে শুধু সবুজই প্রতারিত হয়েছেন এমন নয়, পাশের বাগমারা, মান্দা, নওগাঁ সদরসহ আশপাশের কয়েক এলাকার কয়েক হাজার যুবক বিমানবন্দরে চাকরি করবেন এমন আশায় এই প্রতারকদের খপ্পড়ে পড়েছেন। প্রত্যেক যুবকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩ হাজার করে টাকা। অর্থাৎ কয়েক হাজার যুবকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র।

জানা গেছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিভিন্ন পদে চাকিরর লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে দেশজুড়েই প্রতারণার জাল বিছিয়েছে ওই চক্র। ফেসবুক কিংবা বিভিন্ন এলাকায় দালাল নিয়োগ করে বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। এমনকি চাকরির নিয়োগপত্র নিয়ে বিমানবন্দরেও চলে আসছেন ভুক্তভোগীরা। এসে দেখেন তাদের ওই কাগজ ভুয়া। পরে তারা ফেরতও যাচ্ছেন।

বুধবার (২ এপ্রিল) বিমানবন্দরে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র দেওয়া ২২ জন মৌলভীবাজার থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসেন। সেখানে তারা জানতে পারেন তাদের নিয়োগপত্র ভুয়া।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে তাদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্রটি।

প্রতারণার শিকার হওয়া ভুক্তভোগীরা হলেন- কমলগঞ্জ উপজেলার আদকানি গ্রামের মো. আইন উদ্দিন মিয়া (৩৩), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (২৬), মুনসুর আলী (১৯), মজিব আলী (১৯), জিয়াউর রহমান (১৯), রুসমত আলী (২৬), আলাউদ্দিন মিয়া (২১), সফুর মিয়া (৩০), মইনুল আলম (২১), মাসরুর রহমান (২০), আব্দুল হোসেন (২৫), সোহাগ আহমেদ (১৭), চেরাগ আলী (২৫), শাহ সাইদুজ্জামান (২৬), মো. আরকান আলী (২০), শাহ মাহবুব (১৯), নাইম হোসেন (২১), শিপন মিয়া (২০), দেলোয়ার হোসেন (২১), মো. জহির (২৫), হারুন মিয়া (৪০), খলিলুর রহমান (১৯) ও কুতুব মিয়া (৪০)।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সৈয়দ শাহজাহান আহমেদ পলাশ ও তার সহযোগীরা তাদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের সবাইকে বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগের লেবার হিসেবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। সবার কাছ থেকে ২০-৩৫ হাজার টাকা জামানত এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৫-৭ হাজার টাকাসহ নানা অজুহাতে টাকা নিয়েছে চক্রটি।

আজ তাদের বিমানবন্দরে কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর ওই চক্রের কাউকে খুঁজে পান না ভুক্তভোগীরা। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপেও তাদের ব্লক করে দেয় প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী নাইম হোসেন বলেন, আমি দিনমজুরের কাজ করি। কিন্তু একটু ভালো থাকার আশায় বিমানবন্দরে কার্গোর লেবার হিসেবে চাকরির জন্য দালালের মাধ্যমে এসেছিলাম। বিমানবন্দরে আসার পরও শাহজাহান নামে ওই দালালের সঙ্গে কথা হয়। পরে সে আসছি বলে সব জায়গায় ব্লক এবং ফোন বন্ধ করে দিয়ে আর আসেনি।

তিনি বলেন, ওই দালাল আমাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা করে নিয়েছে। মেডিক্যাল পরীক্ষা, ভ্যাকসিন, ব্যাংক ড্রাফটের কথা বলে, ভ্যাকসিনের কার্ড বের করে দেওয়ার নানা অজুহাতে আমাদের কাছ থেকে এসব টাকা নেয়।

আরেক ভুক্তভোগী আইন উদ্দিন মিয়া বলেন, আমি বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হই। তখন শাহজাহানের সঙ্গে আমার কমলগঞ্জ থানার সামনে পরিচয় হয়। সে আমাকে টাকা তুলে দেবে বলেছিল। পরে ওই দালালের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমাকে গত মাসের ২৫ তারিখে টাকা তুলে দেওয়ার কথা বলেছিল।

তিনি বলেন, শাহজাহান আমাকে বলেছে, সে দীর্ঘদিন বিমানবন্দরে ঠিকাদারি করেছে। প্রতি বছর বিমানবন্দরে লেবার (শ্রমিক) নেয়। পরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আমাকে দিয়ে অনেক লোকজন জড়ো করে। একেকজনের কাছ থেকে ১০-৩০ হাজার টাকা করে নিয়েছে।

জানা গেছে, এসব ঘটনা নিয়ে প্রতারক চক্রের সন্ধানে কাজ শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার নাম করে এর আগেও বহু প্রতারণার ঘটনা রয়েছে। অনেক সময় তারা গ্রেফতারও হয়েছে। জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও এ ধরনের প্রতারণায় যোগ দিয়েছে।

কর্মকর্তকারা বলছেন, বিষয়গুলো নিয়ে তারা কাজ করছেন, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় হবে।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা থানায় অভিযোগ দিলে বিষয়গুলো তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। অনেক সময় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ করেন না। সে ক্ষেত্রে প্রতারকদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব না।

তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আসলে জনসচেতনতা প্রয়োজন। কোনটি সঠিক নিয়োগ বিজ্ঞাপন আর কোনটি ভুয়া, সেগুলো যাছাই-বাছাই করে তারপর তাদের অগ্রসর হওয়া উচিত।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, প্রতারকদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। আর যারা ভুক্তভোগী তাদের সচেতনতা হওয়া প্রয়োজন। একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখলে সেটা সত্য না মিথ্যা এগুলো জানা দরকার।

তিনি বলেন, প্রতারকরা নানা ফাঁদ পাতে। আমরা সচেতন হলে তাদের ফাঁদ কাজ করবে না। আগে আমাদের সচেতন হতে হবে।