Dhaka সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও করপোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই : ডিএসসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, যদি নাগরিকরা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন নিশ্চিত করেন তাহলে ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে যাবে এবং সিটি করপোরেশন বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করে, তবেই একটি শতভাগ বর্জ্যমুক্ত শহর গড়ে তোলা সম্ভব। বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও করপোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই।

সোমবার (৩০ মার্চ) ডিএসসিসির নগর ভবনে আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন আয়োজিত ‘রাউন্ডটেবল অ্যান্ড ইউথ-পলিসি ডায়ালগ অন এক্সিলারেটিং জিরো ওয়েস্ট ইন ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে ডিএসসিসি এরইমধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ডে ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে বর্জ্যকে যেমন সম্পদে রূপান্তর সম্ভব হবে, তেমনি বর্জ্য দূষণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হবে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উৎস থেকে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তিনি ইএসডিও-র মতো সামাজিক সংগঠনগুলোকে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং বর্জ্য সংগ্রাহকদের প্রশিক্ষণের জন্য নিয়মিত কর্মশালা আয়োজন করা দরকার।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

আবহাওয়া

শ্রীমঙ্গলে অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত ৩

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও করপোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই : ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রকাশের সময় : ০৮:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, যদি নাগরিকরা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন নিশ্চিত করেন তাহলে ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে যাবে এবং সিটি করপোরেশন বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করে, তবেই একটি শতভাগ বর্জ্যমুক্ত শহর গড়ে তোলা সম্ভব। বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও করপোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই।

সোমবার (৩০ মার্চ) ডিএসসিসির নগর ভবনে আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন আয়োজিত ‘রাউন্ডটেবল অ্যান্ড ইউথ-পলিসি ডায়ালগ অন এক্সিলারেটিং জিরো ওয়েস্ট ইন ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে ডিএসসিসি এরইমধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ডে ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে বর্জ্যকে যেমন সম্পদে রূপান্তর সম্ভব হবে, তেমনি বর্জ্য দূষণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হবে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উৎস থেকে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তিনি ইএসডিও-র মতো সামাজিক সংগঠনগুলোকে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং বর্জ্য সংগ্রাহকদের প্রশিক্ষণের জন্য নিয়মিত কর্মশালা আয়োজন করা দরকার।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।