চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি :
নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, লঞ্চঘাটের পন্টুনগুলো আধুনিকায়ন এবং নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌপথ সচল ও নাব্য রাখা গেলে দেশের নৌপরিবহনের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরে আসবে। এর সুফল ভোগ করবে সাধারণ জনগণ।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।
নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি লঞ্চঘাটের পন্টুনগুলো আধুনিকায়ন করতে পারি এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীপথগুলো সচল রাখতে পারি, তাহলে নৌপথ আবারও মানুষের আস্থার বাহনে পরিণত হবে। আমরা চাই নৌপথ তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাক। শতবর্ষী স্টিমারগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, পুরোনো স্টিমারগুলো বারবার মেরামত করা হয়েছে। বর্তমানে একটি সচল থাকলেও বাকি স্টিমারগুলো নৌপথে চলাচলের জন্য উপযোগী নয়। যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হয়। তবে এসব ঐতিহ্যবাহী স্টিমারকে বিকল্পভাবে কীভাবে কাজে লাগিয়ে জনসেবা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়েও আমরা চিন্তা করছি।
নৌপথের ভ্রমণকে ভরসাযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়ে রাজিব আহসান বলেন, আমরা যদি লঞ্চঘাটের পল্টুনগুলো আধুনিকায়ন করতে পারি এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীপথগুলো সচল রাখতে পারি, তাহলে নৌপথ আবারও মানুষের আস্থার বাহনে পরিণত হবে। আমরা চাই নৌপথ তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাক।
শতবর্ষী স্টিমারগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, পুরোনো স্টিমারগুলো বারবার মেরামত করা হয়েছে। বর্তমানে একটি সচল থাকলেও বাকি স্টিমারগুলো নৌপথে চলাচলের জন্য উপযোগী নয়। যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হয়। তবে এসব ঐতিহ্যবাহী স্টিমারকে বিকল্পভাবে কীভাবে কাজে লাগিয়ে জনসেবা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়েও আমরা চিন্তা করছি।
নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য যাতায়াত নিশ্চিত করতে নৌ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাবে। নৌপথকে আবারও জনগণের আস্থার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য যাতায়াত নিশ্চিত করতে নৌ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাবে। নৌপথকে আবারও জনগণের আস্থার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব জায়গা থেকে অধিক সংখ্যক মানুষ নৌপথে চলাচল করে প্রত্যেকটি জায়গা চাঁদপুর, বরিশাল, মজুচৌধুরীঘাট ও ইলিশা আমরা গিয়েছি। হাতিয়া থেকে শুরু করে সবগুলো ঘাটেই আমরা গিয়েছি। আমাদের দায়িত্ব এটা, মানুষগুলোকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি। আগামীকাল থেকে যেন নিরাপদে সবাইকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ানো যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছি। আমরা যখন ঘাটগুলোতে যাই তখন ছোটখাটো ভুলগুলো আমাদের চোখে পড়ে, সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, আমরা মানুষকে কথা দিয়েছি, তারা নিরাপদে প্রিয়জনের কাছে যাবে এবং নিরাপদে ফেরত যাবে। সে জায়গাটি আমরা ভালোভাবে শেষ করতে পারছি। আমরা প্রত্যেকটি কাজকে ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করছি, মানুষকে সুবিধা দেওয়ার জন্য। এ ছাড়া, ভোলার ইলিশা নদীবন্দরকে একটি সুন্দর নদীবন্দর হিসেবে হাজির করা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, যেসব নৌযান সরকারি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সেগুলোকে শুমারির মাধ্যমে চিহ্নিত করছি। সবগুলো নৌযানের ইঞ্জিনের ধারণক্ষমতাকে মাথায় রেখে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় নিয়ে আসছি এবং নৌযান শুমারি শেষ হয়ে গেলে অবৈধ নৌযানের বিষয়টি থাকবে না। যেসব জায়গায় আরও সংখ্যক জাহাজ দরকার সেসব জায়গায় আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সরকারি এবং ব্যক্তি মালিকানা জাহাজ যুক্ত করার চেষ্টা করবো।
বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা, সদস্য প্রকৌশল রকিবুল ইসলাম তালুকদার, চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্লাহ সেলিম, চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ স্থানীয় বিএনপির এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি 



















