নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সবাই একত্রিত হয়েছি। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। হাজারো মানুষের নির্যাতনের বিনিময়ে আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের মানুষ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অকাতরে জীবন দিয়েছে, বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-খুনের শিকার হয়েছে। এত ত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজকের এই গণতন্ত্রের যাত্রা যেটি সূচনা হচ্ছে বা হয়েছে, নির্বাচনের মাধ্যমে সেটির সুযোগ পেয়েছি।
তিনি বলেন, এতো ত্যাগের বিনিময়ে আজকে যে গণতন্ত্রের যাত্রা নির্বাচনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে, তার সুযোগ পেয়েছি। হাজারও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা বাক ও গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা অধিকার চর্চার সুযোগ পেয়েছি। তার জন্য প্রথমে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা, আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমাদের সবার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশেষ করে, রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। আজকে ইফতার মাহফিলে আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করি যেন, আগামী দিনে আমাদের কাজগুলো দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য হয়। সেই রহমত চাই, আল্লাহ যেন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ করার তাওফিক দান করে।
তিনি বলেন, আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আজ আমাকে, আমার সঙ্গে আমার নেতৃবৃন্দকে এবং আমার সফরসঙ্গীদের এই ইফতার মাহফিলে দাওয়াত দেওয়ার জন্য।
সরকারপ্রধান বলেন, সম্মানিত সব নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিতি, আজ এখানে শুধু আমি নই, এখানে শুধু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ বা কর্মীবৃন্দই নন; আমাদের বাইরেও এখানে অন্যান্য আরও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আছেন, এখানে আরও অন্যান্য সমাজের অন্যান্য বিভিন্ন স্তরের বিভিন্ন সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত আছেন আজকের এই ইফতার মাহফিলে।
তারেক রহমান বলেন, সম্মানিত উপস্থিতি, বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে, অনেক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে আমাদের সবার দিকে তাকিয়ে আছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। আজ আমাদের এই ইফতার মাহফিলে আসুন আমরা আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করি যে, আমাদের আগামীদিনের কাজগুলো হবে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।
তিনি বলেন, আসুন আমরা আল্লাহর দরবারে সেই রহমত চাই যার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদের এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, এই দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার তৌফিক আল্লাহ তাআলা আমাদের দেবেন।
এই ইফতার মাহফিলে তাকে দাওয়াত দেওয়ার জন্য তিনি আবারও জামায়াতে ইসলামী এবং দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ সব নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।
এতে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের সঞ্চালনায় কারি বেলাল হোসাইনের পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এমপি ও নেতা, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, সাবেক বিচারপতি ও সিনিয়র আইনজীবী, কৃষিবিদ, চিকিৎসক, ওলামা-মাশায়েখ, কবি সাহিত্যিক, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদের নির্বাচিত নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















