Dhaka রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারীদের এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব নিতে হবে : জাইমা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজনীতিতে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক, আর্থিক ও নীতিনির্ধারণী সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। তিনি বলেন, নারীরা নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত না থাকলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রতিফলিত হয় না। নারীদের এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব নিতে হবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘গণতন্ত্রের সংগ্রামে নারী: অবদান এবং আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নারীদের জন্য মেন্টরশিপ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, রাজনীতি ও নাগরিক দায়িত্ব পালনে নারীদের দক্ষতা বাড়াতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ এবং দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। ফলে নতুন প্রজন্মের নারীরা নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ পাবে। পুরুষদের তুলনায় নারীরা এখনো পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পান না। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে নারীদের সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোকেই নিতে হবে।

জাইমা রহমান বলেন, নারীদের জন্য রাজনৈতিক অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক প্রবেশাধিকার, আর্থিক সহায়তা ও নির্বাচনি সুযোগের প্রয়োজন রয়েছে। নারীরা যদি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে না থাকে, তাহলে তাদের বাস্তব সমস্যাগুলো যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে না।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণে নানা ধরনের বাধা রয়েছে। কর্মসংস্থান, সামাজিক কাঠামো, পারিবারিক দায়িত্ব এবং বিয়ের মতো বিষয়গুলো নারীদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। এসব বাধা দূর করতে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।

ডে-কেয়ার সেন্টার প্রসঙ্গে জাইমা রহমান বলেন, কর্মজীবী নারীদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিক ডে-কেয়ার চালু করলেই যথেষ্ট নয়। সেখানে প্রশিক্ষিত জনবল, পর্যাপ্ত জায়গা এবং শিশুদের বয়সভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে অর্থায়নের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন জাইমা রহমান। নির্বাচনি প্রচার পরিচালনার জন্য নারী নেত্রীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে এবং বৈষম্য কমবে এমনটি মনে করেন তিনি।

জাইমা রহমান বলেন, নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকলে নারীদের সামনে এগিয়ে আসার সুযোগ দেওয়া উচিত।

নারীদের নিরাপত্তার বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব রয়েছে বলে জানান জাইমা রহমান। তিনি বলেন, নারী রাজনৈতিক কর্মী বা শিক্ষার্থী নেত্রীরা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হলে দলগুলোকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও নৈতিক সহায়তা দিতে হবে।

জাইমা রহমান বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে একবার বা সাময়িক উদ্যোগ গ্রহণ যথেষ্ট নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। তিনি রাজনৈতিক দল, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি উন্নত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

নারীদের কর্মসংস্থান ও রাজনীতিতে আসার ক্ষেত্রে বিদ্যমান কাঠামোগত বাধাগুলো নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন। জাইমা রহমানের মতে, কেবল নামমাত্র সুযোগ দিলে হবে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, মানসম্মত ডে-কেয়ার সেন্টারের অভাব মায়েদের কাজের সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। একটি আদর্শ ডে-কেয়ার সেন্টারে দক্ষ ট্রেইনার, স্বাস্থ্যকর খাবার ও যথাযথ নিরাপত্তা থাকা জরুরি, যা নারীর পথচলাকে সহজ করবে।

রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্ব তৈরির জন্য একটি শক্তিশালী ‘পাইপলাইন’ বা ধারাবাহিকতা সৃষ্টির আহ্বান জানান তিনি। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার পর্যন্ত তরুণ নারী নেত্রীদের তুলে আনা এবং তাদের ধরে রাখার জন্য মেন্টরশিপ ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ওপর তিনি জোর দেন। তিনি মনে করেন, অভিজ্ঞদের হাত ধরে নতুনদের বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি না করলে সুযোগের সমতা আসবে না।

আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে নারী রাজনীতিকদের জন্য বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেন জাইমা রহমান। তিনি বলেন, রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে এবং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হলে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হয়। রাজনৈতিক দলগুলো যদি নারী নেত্রীদের আর্থিক সহযোগিতা এবং মেধা অনুযায়ী পদায়ন নিশ্চিত করে, তবেই নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে।

নারী নেত্রীদের নিরাপত্তা বিশেষ করে সাইবার বুলিং ও শারীরিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জাইমা রহমান প্রস্তাব করেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ‘কোড অফ কন্ডাক্ট’ থাকতে হবে। কোনো নারী কর্মী বা নেত্রী হেনস্তার শিকার হলে দল যেন শক্তভাবে তাঁর পাশে দাঁড়ায় এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করে—সেই অঙ্গীকার থাকা প্রয়োজন।

পরিশেষে, একটি বৈষম্যহীন ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষক, আইনজীবী, ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীদের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত কাজের আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করতে হলে বারবার বিনিয়োগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তবেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রকৃত গণতান্ত্রিক দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশাজীবী নারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন এবং গণতন্ত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পরিবারসহ জাবির সাবেক ভিসি ফারজানার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নারীদের এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব নিতে হবে : জাইমা রহমান

প্রকাশের সময় : ০৩:২২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজনীতিতে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক, আর্থিক ও নীতিনির্ধারণী সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। তিনি বলেন, নারীরা নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত না থাকলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রতিফলিত হয় না। নারীদের এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব নিতে হবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘গণতন্ত্রের সংগ্রামে নারী: অবদান এবং আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নারীদের জন্য মেন্টরশিপ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, রাজনীতি ও নাগরিক দায়িত্ব পালনে নারীদের দক্ষতা বাড়াতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ এবং দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। ফলে নতুন প্রজন্মের নারীরা নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ পাবে। পুরুষদের তুলনায় নারীরা এখনো পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পান না। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে নারীদের সামনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোকেই নিতে হবে।

জাইমা রহমান বলেন, নারীদের জন্য রাজনৈতিক অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক প্রবেশাধিকার, আর্থিক সহায়তা ও নির্বাচনি সুযোগের প্রয়োজন রয়েছে। নারীরা যদি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে না থাকে, তাহলে তাদের বাস্তব সমস্যাগুলো যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে না।

তিনি বলেন, রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণে নানা ধরনের বাধা রয়েছে। কর্মসংস্থান, সামাজিক কাঠামো, পারিবারিক দায়িত্ব এবং বিয়ের মতো বিষয়গুলো নারীদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। এসব বাধা দূর করতে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।

ডে-কেয়ার সেন্টার প্রসঙ্গে জাইমা রহমান বলেন, কর্মজীবী নারীদের জন্য শুধু একটি আনুষ্ঠানিক ডে-কেয়ার চালু করলেই যথেষ্ট নয়। সেখানে প্রশিক্ষিত জনবল, পর্যাপ্ত জায়গা এবং শিশুদের বয়সভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে অর্থায়নের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন জাইমা রহমান। নির্বাচনি প্রচার পরিচালনার জন্য নারী নেত্রীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে এবং বৈষম্য কমবে এমনটি মনে করেন তিনি।

জাইমা রহমান বলেন, নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকলে নারীদের সামনে এগিয়ে আসার সুযোগ দেওয়া উচিত।

নারীদের নিরাপত্তার বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব রয়েছে বলে জানান জাইমা রহমান। তিনি বলেন, নারী রাজনৈতিক কর্মী বা শিক্ষার্থী নেত্রীরা কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হলে দলগুলোকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও নৈতিক সহায়তা দিতে হবে।

জাইমা রহমান বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে একবার বা সাময়িক উদ্যোগ গ্রহণ যথেষ্ট নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। তিনি রাজনৈতিক দল, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি উন্নত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।

নারীদের কর্মসংস্থান ও রাজনীতিতে আসার ক্ষেত্রে বিদ্যমান কাঠামোগত বাধাগুলো নিয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন। জাইমা রহমানের মতে, কেবল নামমাত্র সুযোগ দিলে হবে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, মানসম্মত ডে-কেয়ার সেন্টারের অভাব মায়েদের কাজের সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। একটি আদর্শ ডে-কেয়ার সেন্টারে দক্ষ ট্রেইনার, স্বাস্থ্যকর খাবার ও যথাযথ নিরাপত্তা থাকা জরুরি, যা নারীর পথচলাকে সহজ করবে।

রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্ব তৈরির জন্য একটি শক্তিশালী ‘পাইপলাইন’ বা ধারাবাহিকতা সৃষ্টির আহ্বান জানান তিনি। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার পর্যন্ত তরুণ নারী নেত্রীদের তুলে আনা এবং তাদের ধরে রাখার জন্য মেন্টরশিপ ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ওপর তিনি জোর দেন। তিনি মনে করেন, অভিজ্ঞদের হাত ধরে নতুনদের বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি না করলে সুযোগের সমতা আসবে না।

আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে নারী রাজনীতিকদের জন্য বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেন জাইমা রহমান। তিনি বলেন, রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে এবং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হলে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হয়। রাজনৈতিক দলগুলো যদি নারী নেত্রীদের আর্থিক সহযোগিতা এবং মেধা অনুযায়ী পদায়ন নিশ্চিত করে, তবেই নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে।

নারী নেত্রীদের নিরাপত্তা বিশেষ করে সাইবার বুলিং ও শারীরিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জাইমা রহমান প্রস্তাব করেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ‘কোড অফ কন্ডাক্ট’ থাকতে হবে। কোনো নারী কর্মী বা নেত্রী হেনস্তার শিকার হলে দল যেন শক্তভাবে তাঁর পাশে দাঁড়ায় এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করে—সেই অঙ্গীকার থাকা প্রয়োজন।

পরিশেষে, একটি বৈষম্যহীন ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষক, আইনজীবী, ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীদের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত কাজের আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করতে হলে বারবার বিনিয়োগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তবেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রকৃত গণতান্ত্রিক দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশাজীবী নারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন এবং গণতন্ত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।