Dhaka মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারী ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে চালু হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নারী ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে এই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আজকের দিনটি জাতীয়তাবাদী দলের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিল। আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশে যাদের এ কার্ড প্রয়োজন, তাদের সব নারী প্রধানের কাছে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীর টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল এলাকার নারীদের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সরকার গঠন করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করব। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার গঠনের এক মাসের কম সময়ে আজ ৩৭ হাজার নারীর হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পেরেছি।

May be an image of one or more people, dais and text that says "বাংলাদেশ বিসমিল্লাহির রাহমানর রাহম তারিখ: মাঁচ ২০২৬ !: ম্যান্ডমি স্যান্ডলিন্ার পারার মাঠ ন্াই মপ্ধ' न নঅতি্থি: গণপ্রজাতন্তরী বাংলাদেশ সরকার ফ্যামিলি কার্ড স্বাবলম্তী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রূতি ব তারেক আান এমনি মাননীয় প্রধানমনত্রী, গদেশ সরকা ব্যাক্তি নয়, পরিবারই য়নের ল এ আই গत্त এ গনপ্রজাতন্লী ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ সরকার আকলারী পর্িাসর নাম: মোসায় পারজিন বেখম পতকপত্তি কার্উ নব্বর: মাতার নাম: মাহিদা বেগম পিজা/বামীর নাম: জাতীয় পরিচয়পয় বাদশা দশাশেখ নম্বর: 1562765086 15627 ". এক পইপাদ ueHилйT"

সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনুধাবন করতে পারেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই দেশটি আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। এই দেশের মানুষের প্রত্যাশা বর্তমান নির্বাচিত সরকারের কাছে অনেক, সেটি আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু একই সাথে আমরা যদি বাস্তবতা বিবেচনা করি এবং সমসাময়িক ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের যে পরিস্থিতি সকল কিছু যদি বিবেচনা করি তাহলে আমরা যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলাম আমরা অবশ্যই আমাদের প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র আমরা অবস্থান পরিবর্তন করব না। হয়ত সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ক্ষেত্রবিশেষে হয়ত আমাদের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগতে পারে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য। সেজন্যই আজকে আমি সকলকে অনুরোধ করব, এখানে যে সকল এলাকাবাসী উপস্থিত আছেন আপনাদেরকে, আপনাদের মাধ্যমে সমগ্র দেশবাসীকে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র দেশবাসীকে যে, আসুন আমরা ধৈর্যের সাথে সমগ্র পরিস্থিতি মোকাবেলা করি, আমরা ধৈর্যের সাথে সুন্দরভাবে আমাদের এই দেশটিকে গড়ে তুলি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক জনসংখ্যা হচ্ছে নারী। সরকারের ভাবনা স্পষ্ট করে তিনি বলেন, তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, যদি এই এই অর্ধেক জনসংখ্যাকে পেছনে রাখা হয়, শিক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়ন করা না হয়, তাহলে দেশকে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না।
তিনি বলেন, আপনাদের নিশ্চয়ই সবার খেয়াল আছে। এর আগে বিএনপি সরকার যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সেই সময় সমগ্র বাংলাদেশে তিনি নারীদের শিক্ষাব্যবস্থা স্কুল পর্যায় থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেল পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা করেছিলেন।

May be an image of one or more people, crowd and text that says "POLICE"

সেই শিক্ষিত নারী সমাজকে আজকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়তন করতে চাই, অর্থনৈতিকভাবে তাদের স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার সরকার গঠনের আগেই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি কীভাবে নারীদেরকে আমরা ক্ষমতায়ন করব, অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল করে গড়ে তুলব এবং তারই অংশ হিসাবে আজকে এই ফ্যামিলি কার্ড আমরা সমগ্র বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমিকভাবে ইন্ট্রোডিউস শুরু করলাম।

‘ফ্যামিলি কার্ডের’ পরীক্ষামূলক কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইনশাআল্লাহ ইনশাআল্লাহ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমার সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে বাংলাদেশে যে চার কোটি পরিবার রয়েছে সেই চার কোটি পরিবারের যারা নারী প্রধান, তাদের কাছে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ইনশআল্লাহ পর্যায়ক্রমিকভাবে সকলের কাছে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়ম, তারা একটি দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করতে চান। যে সরকার জনগণ ও দেশের জন্য কাজ করবে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকতে চায় বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তারই একটি অংশ হিসাবে আমাদের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। বাংলাদেশের নারী সমাজের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করব। আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন আমরা আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা আমাদের এই প্রতিশ্রুতি জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ আমরা শুরু করেছি।”

বিএনপির আরেকটি প্রতিশ্রুতি কৃষক কার্ডের কথাও উঠে এসেছে তারেক রহমানের কথায়।

তিনি বলেন, আমরা আরো কিছু প্রতিশ্রুতি করেছিলাম তার মধ্যে যেগুলো আমাদের প্রায়োরিটি প্রয়োজন ছিল তার মধ্যে আরেকটি আছে কৃষক কার্ড, সেই কৃষক কার্ডের কাজও আমরা শুরু করেছি ইনশাল্লাহ। আজকের এই অনুষ্ঠানে আমরা যেভাবে ৩৭ হাজার নারীর কাছে আমরা ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি ঠিক একইভাবে আগামী মাসের মধ্যে আমরা কৃষক ভাইদের কাছেও আমরা কৃষক কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ। আমরা বাংলাদেশের কৃষক ভাইদের কাছে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে যাদের কৃষি ঋণ মওকুফ করব। আল্লাহর রহমতে আমরা গত সপ্তাহে সেই ১০০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ সরকারের পক্ষ থেকে করে দেওয়া হয়েছে সুদসহ। এইভাবে আমরা জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো যেই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। যেই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের মাধ্যমে দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে, জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটবে সেই প্রতিশ্রুতিগুলো আমরা ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমিকভাবে যে কোনো মূল্যে পূরণের চেষ্টা করব।

May be an image of one or more people and crowd

অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, আজকে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের দিনটি ব্যক্তিগতভাবে জন্য খুবই ইমোশনাল। কারণ এখানে আজকে যারা আপনারা অতিথি উপস্থিত আছেন, এখানে কিছু মানুষ উপস্থিত আছেন যাদের সাথে বিগত অনেকগুলো বছর ধরে আমি বসে বসে আমি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি যে কিভাবে যখন সময় আমরা পাবো, সুযোগ পাবো, জনগণের সমর্থন পাবো সেই ফ্যামিলি কার্ডটিকে আমরা বাস্তবায়ন করব। আল্লাহ তাআলা রাব্বুল আলামীনের রহমতে আজকে আমাদের সেই দিনটি উপস্থিত। যেই দিনে আমরা আমাদের এই প্রতিস্থিতি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি। সেজন্যই আজকে আমার জন্য যেমন একটি ইমোশনাল দিন, আমি মনে করি আমার সরকার এবং আমার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক এবং একটি ইমোশনাল দিন আজকে।

নির্বাচনের সময়ে ব্যবহৃত স্লোগান ‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে সবার আগে বাংলাদেশ’ বলে নিজের বক্তব্যের সমাপ্তি টানেন তারেক রহমান।

এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন, বেদ, ত্রিপিটক, বাইবেল পাঠের পর বিএনপি দলীয় সঙ্গীত পরিবেশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ডের ওপরে একটি প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন করা হয়।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, এমপি, কূটনীতিসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ঘুষের অভিযোগ নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে : চিফ প্রসিকিউটর

নারী ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে চালু হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নারী ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে এই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আজকের দিনটি জাতীয়তাবাদী দলের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিল। আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশে যাদের এ কার্ড প্রয়োজন, তাদের সব নারী প্রধানের কাছে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীর টিএন্ডটি মাঠে কড়াইল এলাকার নারীদের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সরকার গঠন করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করব। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার গঠনের এক মাসের কম সময়ে আজ ৩৭ হাজার নারীর হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পেরেছি।

May be an image of one or more people, dais and text that says "বাংলাদেশ বিসমিল্লাহির রাহমানর রাহম তারিখ: মাঁচ ২০২৬ !: ম্যান্ডমি স্যান্ডলিন্ার পারার মাঠ ন্াই মপ্ধ' न নঅতি্থি: গণপ্রজাতন্তরী বাংলাদেশ সরকার ফ্যামিলি কার্ড স্বাবলম্তী পরিবার গড়ার প্রতিশ্রূতি ব তারেক আান এমনি মাননীয় প্রধানমনত্রী, গদেশ সরকা ব্যাক্তি নয়, পরিবারই য়নের ল এ আই গत্त এ গনপ্রজাতন্লী ফ্যামিলি কার্ড বাংলাদেশ সরকার আকলারী পর্িাসর নাম: মোসায় পারজিন বেখম পতকপত্তি কার্উ নব্বর: মাতার নাম: মাহিদা বেগম পিজা/বামীর নাম: জাতীয় পরিচয়পয় বাদশা দশাশেখ নম্বর: 1562765086 15627 ". এক পইপাদ ueHилйT"

সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনুধাবন করতে পারেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই দেশটি আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। এই দেশের মানুষের প্রত্যাশা বর্তমান নির্বাচিত সরকারের কাছে অনেক, সেটি আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু একই সাথে আমরা যদি বাস্তবতা বিবেচনা করি এবং সমসাময়িক ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের যে পরিস্থিতি সকল কিছু যদি বিবেচনা করি তাহলে আমরা যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলাম আমরা অবশ্যই আমাদের প্রতিশ্রুতি থেকে বিন্দুমাত্র আমরা অবস্থান পরিবর্তন করব না। হয়ত সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ক্ষেত্রবিশেষে হয়ত আমাদের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগতে পারে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য। সেজন্যই আজকে আমি সকলকে অনুরোধ করব, এখানে যে সকল এলাকাবাসী উপস্থিত আছেন আপনাদেরকে, আপনাদের মাধ্যমে সমগ্র দেশবাসীকে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র দেশবাসীকে যে, আসুন আমরা ধৈর্যের সাথে সমগ্র পরিস্থিতি মোকাবেলা করি, আমরা ধৈর্যের সাথে সুন্দরভাবে আমাদের এই দেশটিকে গড়ে তুলি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক জনসংখ্যা হচ্ছে নারী। সরকারের ভাবনা স্পষ্ট করে তিনি বলেন, তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, যদি এই এই অর্ধেক জনসংখ্যাকে পেছনে রাখা হয়, শিক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়ন করা না হয়, তাহলে দেশকে কোনোভাবেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না।
তিনি বলেন, আপনাদের নিশ্চয়ই সবার খেয়াল আছে। এর আগে বিএনপি সরকার যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সেই সময় সমগ্র বাংলাদেশে তিনি নারীদের শিক্ষাব্যবস্থা স্কুল পর্যায় থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেভেল পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনামূল্যে করার ব্যবস্থা করেছিলেন।

May be an image of one or more people, crowd and text that says "POLICE"

সেই শিক্ষিত নারী সমাজকে আজকে আমরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়তন করতে চাই, অর্থনৈতিকভাবে তাদের স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার সরকার গঠনের আগেই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি কীভাবে নারীদেরকে আমরা ক্ষমতায়ন করব, অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল করে গড়ে তুলব এবং তারই অংশ হিসাবে আজকে এই ফ্যামিলি কার্ড আমরা সমগ্র বাংলাদেশে পর্যায়ক্রমিকভাবে ইন্ট্রোডিউস শুরু করলাম।

‘ফ্যামিলি কার্ডের’ পরীক্ষামূলক কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইনশাআল্লাহ ইনশাআল্লাহ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমার সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে বাংলাদেশে যে চার কোটি পরিবার রয়েছে সেই চার কোটি পরিবারের যারা নারী প্রধান, তাদের কাছে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ইনশআল্লাহ পর্যায়ক্রমিকভাবে সকলের কাছে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যেতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়ম, তারা একটি দায়িত্বশীল সরকারের ভূমিকা পালন করতে চান। যে সরকার জনগণ ও দেশের জন্য কাজ করবে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকতে চায় বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তারই একটি অংশ হিসাবে আমাদের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনের পূর্বে আমরা বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। বাংলাদেশের নারী সমাজের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু করব। আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন আমরা আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে বিগত নির্বাচনে সরকার গঠন করার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা আমাদের এই প্রতিশ্রুতি জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ আমরা শুরু করেছি।”

বিএনপির আরেকটি প্রতিশ্রুতি কৃষক কার্ডের কথাও উঠে এসেছে তারেক রহমানের কথায়।

তিনি বলেন, আমরা আরো কিছু প্রতিশ্রুতি করেছিলাম তার মধ্যে যেগুলো আমাদের প্রায়োরিটি প্রয়োজন ছিল তার মধ্যে আরেকটি আছে কৃষক কার্ড, সেই কৃষক কার্ডের কাজও আমরা শুরু করেছি ইনশাল্লাহ। আজকের এই অনুষ্ঠানে আমরা যেভাবে ৩৭ হাজার নারীর কাছে আমরা ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হয়েছি ঠিক একইভাবে আগামী মাসের মধ্যে আমরা কৃষক ভাইদের কাছেও আমরা কৃষক কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ। আমরা বাংলাদেশের কৃষক ভাইদের কাছে আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে যাদের কৃষি ঋণ মওকুফ করব। আল্লাহর রহমতে আমরা গত সপ্তাহে সেই ১০০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ সরকারের পক্ষ থেকে করে দেওয়া হয়েছে সুদসহ। এইভাবে আমরা জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো যেই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। যেই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের মাধ্যমে দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে, জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটবে সেই প্রতিশ্রুতিগুলো আমরা ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমিকভাবে যে কোনো মূল্যে পূরণের চেষ্টা করব।

May be an image of one or more people and crowd

অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, আজকে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের দিনটি ব্যক্তিগতভাবে জন্য খুবই ইমোশনাল। কারণ এখানে আজকে যারা আপনারা অতিথি উপস্থিত আছেন, এখানে কিছু মানুষ উপস্থিত আছেন যাদের সাথে বিগত অনেকগুলো বছর ধরে আমি বসে বসে আমি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি যে কিভাবে যখন সময় আমরা পাবো, সুযোগ পাবো, জনগণের সমর্থন পাবো সেই ফ্যামিলি কার্ডটিকে আমরা বাস্তবায়ন করব। আল্লাহ তাআলা রাব্বুল আলামীনের রহমতে আজকে আমাদের সেই দিনটি উপস্থিত। যেই দিনে আমরা আমাদের এই প্রতিস্থিতি রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি। সেজন্যই আজকে আমার জন্য যেমন একটি ইমোশনাল দিন, আমি মনে করি আমার সরকার এবং আমার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জন্য একটি ঐতিহাসিক এবং একটি ইমোশনাল দিন আজকে।

নির্বাচনের সময়ে ব্যবহৃত স্লোগান ‘করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে সবার আগে বাংলাদেশ’ বলে নিজের বক্তব্যের সমাপ্তি টানেন তারেক রহমান।

এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন, বেদ, ত্রিপিটক, বাইবেল পাঠের পর বিএনপি দলীয় সঙ্গীত পরিবেশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ডের ওপরে একটি প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন করা হয়।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, এমপি, কূটনীতিসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।