কলাপাড়া (পটুয়াখালী) উপজেলা প্রতিনিধি :
প্রতিনিয়ত খুব ভোরে জিরো পয়েন্টে কিছু সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি থাকলেও শুনশান নিরবতায় থাকে কুয়াকাটা সৈকতের বিভিন্ন পর্যটন স্পট। তবে নতুন বছরের প্রথম দিন এর ব্যতিক্রম ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোররাত থেকেই নতুন বছরের প্রথম দিনের নতুন সূর্য উদয় উপভোগ করতে সৈকতের বিভিন্ন স্পটে ভিড় জমিয়েছে পর্যটকরা।
বিশেষ করে সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি, চরগঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চড়ে পর্যটকদের বাড়তি আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে। তবে ঘন কুয়াশার কারণে সূর্য উদয় উপভোগ করতে না পারলেও ঘনো কুয়াশায় আবদ্ধ শিশিরে ভেজা এসব পর্যটন স্পট দেখে অনেকটা উচ্ছ্বসিত হন পর্যটকরা।
এর আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) কুয়াকাটা তিন নদীর মোহনা, লেম্বুরবন ও শুটকি পল্লীতে বসে কোন প্রতিবন্ধকতা ছাড়া সূর্য অস্তের দৃশ্য উপভোগ করে অনেকটা মুগ্ধ হন তারা। তবে সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারনে গত বছরের তুলনায় এবছর সৈকতে পর্যটকের সংখ্যা অনেকটা কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যে কোন অপ্রীতিকার ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি ট্যুরিষ্ট পুলিশ সহ প্রশাসন।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক, আরমান জানান, আমি গতকালকে শেষ বছরের শেষ সূর্যাস্ত উপবোগ করেছি,আজ প্রথম বছরের প্রথম সূর্য উপভোগ করলাম,তবে কুয়াশার কারনে সূর্য মামাকে স্পষ্ট দেখতে না পারলেও পরিবেশটি খুবই মনোরম ও আনন্দের।আবার আসব ইনশাআল্লাহ।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল মাষ্টার বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এ বছর পর্যটক কম। তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপার্সন, আমার প্রানের নেত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোখে কম। তার শোকে আজ সারাদেশ শোকাহত।
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, বছরের শেষ আর নতুন বছরর পর্যটকদের স্বাগত জানাতে আমরা সকল প্রশাসন প্রস্তুত।
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) উপজেলা প্রতিনিধি 




















