Dhaka শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৬ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।

এক্স পোস্টে বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে এই বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে শেহবাজ শরীফ। এছাড়া সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন জারদারি।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান ও বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে উন্মুখ। আমাদের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য পূরণে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট জারদারি এক বিবৃতিতে ২৯৯টি আসনে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ১২ কোটি ৭০ লাখের বেশি নিবন্ধিত ভোটারের অংশগ্রহণে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

আসিফ আলি জারদারি বলেন, বাংলাদেশের এই নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য পুরোনো ধাপ কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সুযোগ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এতদিন আঞ্চলিক সহযোগিতা—বিশেষ করে সার্ক-এর (SAARC) কার্যক্রম ভারতের কাছে জিম্মি ছিল। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই মহান সংস্থাটিকে ভারত পঙ্গু করে রেখেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ঢাকার নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ দক্ষিণ এশিয়ায় আরও ভারসাম্যপূর্ণ, স্বাধীন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক হবে।

প্রেসিডেন্ট জারদারি বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং আঞ্চলিক ফোরামগুলোতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের স্থায়িত্ব, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তিনবার সরকারগঠন করেছিল তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে।

আর এবার তাদেরই সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি চতুর্থবারের মত দেশ শাসনের ভার নিতে যাচ্ছে।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।

এক্স পোস্টে বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে এই বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে শেহবাজ শরীফ। এছাড়া সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন জারদারি।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান ও বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে উন্মুখ। আমাদের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে এবং দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য পূরণে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট জারদারি এক বিবৃতিতে ২৯৯টি আসনে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ১২ কোটি ৭০ লাখের বেশি নিবন্ধিত ভোটারের অংশগ্রহণে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

আসিফ আলি জারদারি বলেন, বাংলাদেশের এই নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জন্য পুরোনো ধাপ কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সুযোগ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এতদিন আঞ্চলিক সহযোগিতা—বিশেষ করে সার্ক-এর (SAARC) কার্যক্রম ভারতের কাছে জিম্মি ছিল। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই মহান সংস্থাটিকে ভারত পঙ্গু করে রেখেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ঢাকার নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ দক্ষিণ এশিয়ায় আরও ভারসাম্যপূর্ণ, স্বাধীন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক হবে।

প্রেসিডেন্ট জারদারি বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং আঞ্চলিক ফোরামগুলোতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের স্থায়িত্ব, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তিনবার সরকারগঠন করেছিল তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে।

আর এবার তাদেরই সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি চতুর্থবারের মত দেশ শাসনের ভার নিতে যাচ্ছে।