ফেনী জেলা প্রতিনিধি :
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ফেনী-৩ আসনের (সোনাগাজী-দাগনভুঁঞা) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ না থাকলেও প্রচারণায় ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান কমিটির বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা এই নোটিশ প্রদান করেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ দেন।
গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এই শোকজ করা হলেও শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জানাজানি হয়।
শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, ফখরুদ্দিন মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত তার পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার দাখিলকৃত নির্বাচনী হলফনামায় এ ধরনের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা বা পদবির উল্লেখ নেই। এই অসংগতি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নোটিশে আরও জানানো হয়, এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৭(৩)(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না, সে বিষয়ে প্রার্থীর লিখিত ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রোববার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে ফেনীর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে অবস্থিত কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে (যুগ্ম জেলা জজ আদালত) সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জামায়াত নেতা ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিকের মুঠোফোনে কল করা হলে তার মিডিয়া প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে আনোয়ার হোসেন ফোনটি রিসিভ করেন। তিনি জানান, শোকজের বিষয়টি সম্পর্কে তাদের এখনো কিছু জানা নেই।
ফেনী জেলা প্রতিনিধি 





















