Dhaka শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে রাস্তার পাশে ঝোপে মিলল জীবিত নবজাতক

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : 

টাঙ্গাইলের সখীপুরে রাস্তার পাশের ঝোপ থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের তৈলধারা বারোমন্ডলীয়া এলাকা থেকে কন্যাশিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটিকে সখীপুর মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর ছালাম জানান, ভোরে ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি হঠাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে রাস্তার পাশের ঝোপের ভেতরে গিয়ে নবজাতকটিকে দেখতে পান। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে কোনো কাপড় ছিল না, শুধু একটি পাতলা কাঁথায় মোড়ানো ছিল। রাতে বাইরে থাকার কারণে শিশুটির শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি জানান, উদ্ধারের পর দ্রুত শিশুটিকে সখীপুর মা ও শিশু ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ডা. শামসুল আলমের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, আপাতত শিশুটি স্থানীয় নিঃসন্তান দম্পতি ইব্রাহিম ও নার্গিসের হেফাজতে রয়েছে। ওই দম্পতি শিশুটিকে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। পরিত্যক্ত অবস্থায় নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সখীপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন, রাস্তার পাশ থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধারের বিষয়টি জেনেছি। শিশুটির চিকিৎসা চলমান রয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবহাওয়া

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে হবে নিজ বাসা থেকে : ডিএনসিসি প্রশাসক

টাঙ্গাইলে রাস্তার পাশে ঝোপে মিলল জীবিত নবজাতক

প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : 

টাঙ্গাইলের সখীপুরে রাস্তার পাশের ঝোপ থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক কন্যা শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের তৈলধারা বারোমন্ডলীয়া এলাকা থেকে কন্যাশিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটিকে সখীপুর মা ও শিশু কেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর ছালাম জানান, ভোরে ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি হঠাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। পরে রাস্তার পাশের ঝোপের ভেতরে গিয়ে নবজাতকটিকে দেখতে পান। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে কোনো কাপড় ছিল না, শুধু একটি পাতলা কাঁথায় মোড়ানো ছিল। রাতে বাইরে থাকার কারণে শিশুটির শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি জানান, উদ্ধারের পর দ্রুত শিশুটিকে সখীপুর মা ও শিশু ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ডা. শামসুল আলমের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, আপাতত শিশুটি স্থানীয় নিঃসন্তান দম্পতি ইব্রাহিম ও নার্গিসের হেফাজতে রয়েছে। ওই দম্পতি শিশুটিকে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। পরিত্যক্ত অবস্থায় নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সখীপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন, রাস্তার পাশ থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধারের বিষয়টি জেনেছি। শিশুটির চিকিৎসা চলমান রয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।