Dhaka শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জোটের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থীর ‘গাদ্দারির’ অভিযোগ সারোয়ার তুষারের

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি : 

নরসিংদী-২ আসনে নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে জোটসঙ্গী দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘গাদ্দারি’র অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এই আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক। জোটের সিদ্ধান্তের পরও এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমজাদ হোসাইন মনোনয়ন তুলে নেননি।

প্রচার-প্রচারণাও চালিয়েছেন গোপনে। সর্বশেষ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আমজাদ হোসাইন ৩৬ হাজার ৬৬৯ ভোট এবং শাপলা কলি প্রতীকে ১৪ হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়েছেন। বিপরীতে ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৯৪ ভোট।

তুষার বলেন, জোটের ভোট ভাগ হওয়ায় বিএনপির প্রার্থী ৬ হাজার ৪৫৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নরসিংদী-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী জোটের বিরুদ্ধে গাদ্দারি না করলে, ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে এবং জামায়াতের তৃণমূল জোটের পক্ষে অবিভক্তভাবে পূর্ণ সহযোগিতাসহ কাজ করতে পারলে নরসিংদী-২ আসনে ১১ দলীয় জোট অন্তত ১০ থেকে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করত।

তিনি বলেন, ভোটাররা যখন দেখেছে পলাশে জোট ফাংশন করছে না, তখন আমাদের ভোটাররাও ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। পাশাপাশি দিনভর কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিএনপির নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার সঙ্গে সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের নিষ্ক্রিয়তা ভোটের মাঠকে প্রভাবিত করেছে। আমজাদের এই গাদ্দারি বাংলাদেশ মনে রাখবে।

তিনি আরও বলেন, ইলেকশনটা আমাকে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে একযোগে করতে হয়েছে। ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে এই আসনের নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশকে বিস্মিত ও উদ্বেলিত করত। আমি পলাশবাসীর হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসা পেয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জোটের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থীর ‘গাদ্দারির’ অভিযোগ সারোয়ার তুষারের

প্রকাশের সময় : ০৫:২৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি : 

নরসিংদী-২ আসনে নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে জোটসঙ্গী দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘গাদ্দারি’র অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এই আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক। জোটের সিদ্ধান্তের পরও এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমজাদ হোসাইন মনোনয়ন তুলে নেননি।

প্রচার-প্রচারণাও চালিয়েছেন গোপনে। সর্বশেষ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আমজাদ হোসাইন ৩৬ হাজার ৬৬৯ ভোট এবং শাপলা কলি প্রতীকে ১৪ হাজার ৫৬৭ ভোট পেয়েছেন। বিপরীতে ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৯৪ ভোট।

তুষার বলেন, জোটের ভোট ভাগ হওয়ায় বিএনপির প্রার্থী ৬ হাজার ৪৫৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নরসিংদী-২ আসনের জামায়াত প্রার্থী জোটের বিরুদ্ধে গাদ্দারি না করলে, ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে এবং জামায়াতের তৃণমূল জোটের পক্ষে অবিভক্তভাবে পূর্ণ সহযোগিতাসহ কাজ করতে পারলে নরসিংদী-২ আসনে ১১ দলীয় জোট অন্তত ১০ থেকে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করত।

তিনি বলেন, ভোটাররা যখন দেখেছে পলাশে জোট ফাংশন করছে না, তখন আমাদের ভোটাররাও ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। পাশাপাশি দিনভর কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিএনপির নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার সঙ্গে সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের নিষ্ক্রিয়তা ভোটের মাঠকে প্রভাবিত করেছে। আমজাদের এই গাদ্দারি বাংলাদেশ মনে রাখবে।

তিনি আরও বলেন, ইলেকশনটা আমাকে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে একযোগে করতে হয়েছে। ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে এই আসনের নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশকে বিস্মিত ও উদ্বেলিত করত। আমি পলাশবাসীর হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসা পেয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।