Dhaka রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে নতুন ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে আর কোনো বাধা থাকল না অর্থ মন্ত্রণালয়ের।ফলে দেশের সবচেয়ে বড় ও সরকারি ইসলামী ব্যাংকের যাত্রা শুরু হলো।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বোর্ড সভা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক- এই পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়েছে।

এর আগে গত ৯ নভেম্বর গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ডের একটি বিশেষ অনলাইন সভায় ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে পরিচালনার জন্য শরিয়াহভিত্তিক নতুন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’কে প্রাথমিক লাইসেন্স দেওয়া হয়।

তারও আগে গত ৫ নভেম্বর আর্থিকভাবে দুর্বল এই পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হলো। শিগগিরই আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ, সুদের হার, বেতন স্কেলসহ বিস্তারিত স্কিম নির্ধারণ করার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

একীভূত ব্যাংকে সাধারণ আমানতকারীরা দুই লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। ক্ষুদ্র আমানতকারীদের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে।

নতুন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সাত সদস্যের, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক। পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সরকারি বিভিন্ন বিভাগীয় সচিব ও যুগ্ম সচিবরা। নতুন ব্যাংকে পেশাদার ব্যাংকার, হিসাববিদ ও আইনজীবী সমানসংখ্যক স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। এমডি এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আর্থিকভাবে দুর্বল পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করা সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের ভাষ্য, ব্যাংকগুলো একীভূত করা ছাড়া বিকল্প ছিল না। আমাদের প্রত্যাশা, সুশাসন নিশ্চিত হলে এই প্রক্রিয়া থেকে অর্থনীতির জন্য ভালো কিছু হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বিপিএল নিলাম : কেমন হলো ছয় দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড?

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’

প্রকাশের সময় : ০৯:১০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে নতুন ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু করতে আর কোনো বাধা থাকল না অর্থ মন্ত্রণালয়ের।ফলে দেশের সবচেয়ে বড় ও সরকারি ইসলামী ব্যাংকের যাত্রা শুরু হলো।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বোর্ড সভা।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক- এই পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়েছে।

এর আগে গত ৯ নভেম্বর গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ডের একটি বিশেষ অনলাইন সভায় ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে পরিচালনার জন্য শরিয়াহভিত্তিক নতুন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’কে প্রাথমিক লাইসেন্স দেওয়া হয়।

তারও আগে গত ৫ নভেম্বর আর্থিকভাবে দুর্বল এই পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের মাধ্যমে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হলো। শিগগিরই আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ, সুদের হার, বেতন স্কেলসহ বিস্তারিত স্কিম নির্ধারণ করার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

একীভূত ব্যাংকে সাধারণ আমানতকারীরা দুই লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। ক্ষুদ্র আমানতকারীদের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে।

নতুন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সাত সদস্যের, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক। পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সরকারি বিভিন্ন বিভাগীয় সচিব ও যুগ্ম সচিবরা। নতুন ব্যাংকে পেশাদার ব্যাংকার, হিসাববিদ ও আইনজীবী সমানসংখ্যক স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। এমডি এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আর্থিকভাবে দুর্বল পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করা সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের ভাষ্য, ব্যাংকগুলো একীভূত করা ছাড়া বিকল্প ছিল না। আমাদের প্রত্যাশা, সুশাসন নিশ্চিত হলে এই প্রক্রিয়া থেকে অর্থনীতির জন্য ভালো কিছু হবে।