Dhaka শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ২

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনদের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দুজন মারা গেলেন। এ ঘটনায় দগ্ধদের প্রায় সবার অবস্থাই গুরুতর।

শনিবার (১৬ মার্চ) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় প্লাস্টিক ও বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মনসুর আকন। তিনি বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মনসুর আকনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. হোসাইন ইমাম ইমু। তিনি জানান, মনসুর আকনের শরীরের শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল।

মনসুর আকনের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সালদাহ উত্তরপাড়া গ্রামে। তিনি কালিয়াকৈরে ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন। মনসুরের স্ত্রী দিনা আক্তার ও দুই মেয়ে গ্রামে থাকেন। আগুনের ঘটনায় সোলায়মান মোল্লা নামে একজন গতকাল সকালে মারা গেছেন।

গত বুধবার বিকেলে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় একটি বাসার ভাড়াটিয়া নতুন গ্যাস সিলিন্ডার এনে কম্প্রেসার লাগানোর চেষ্টা করে। এ সময় সিলিন্ডারের পিন ভেঙে গ্যাস বের হতে থাকে। দ্রুত সিলিন্ডারটি বাসার পাশের সড়কে ফেলে দেন তারা। এতে পাশে থাকা লাকড়ির চুলার আগুন সিলিন্ডার গ্যাসের সংস্পর্শে আসলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সড়কে চলাচলকারী ও আশপাশের বাসাবাড়ির নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩২ জন দগ্ধ হয়।

দগ্ধদের মধ্যে ১০ ভাগ পুড়ে গেছেন এমন রোগী একজন, ৯৫ ভাগ পুড়ে যাওয়া রোগী তিনজন, এবং ৫০ থেকে ১০০ ভাগ পুড়ে যাওয়া রোগী রোগী আছেন ১৬ জন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নওগাঁয় হারানো ১২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে ফেরত দিল পুলিশ

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ২

প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীনদের মধ্যে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দুজন মারা গেলেন। এ ঘটনায় দগ্ধদের প্রায় সবার অবস্থাই গুরুতর।

শনিবার (১৬ মার্চ) সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় প্লাস্টিক ও বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মনসুর আকন। তিনি বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মনসুর আকনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. হোসাইন ইমাম ইমু। তিনি জানান, মনসুর আকনের শরীরের শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল।

মনসুর আকনের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সালদাহ উত্তরপাড়া গ্রামে। তিনি কালিয়াকৈরে ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন। মনসুরের স্ত্রী দিনা আক্তার ও দুই মেয়ে গ্রামে থাকেন। আগুনের ঘটনায় সোলায়মান মোল্লা নামে একজন গতকাল সকালে মারা গেছেন।

গত বুধবার বিকেলে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় একটি বাসার ভাড়াটিয়া নতুন গ্যাস সিলিন্ডার এনে কম্প্রেসার লাগানোর চেষ্টা করে। এ সময় সিলিন্ডারের পিন ভেঙে গ্যাস বের হতে থাকে। দ্রুত সিলিন্ডারটি বাসার পাশের সড়কে ফেলে দেন তারা। এতে পাশে থাকা লাকড়ির চুলার আগুন সিলিন্ডার গ্যাসের সংস্পর্শে আসলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সড়কে চলাচলকারী ও আশপাশের বাসাবাড়ির নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩২ জন দগ্ধ হয়।

দগ্ধদের মধ্যে ১০ ভাগ পুড়ে গেছেন এমন রোগী একজন, ৯৫ ভাগ পুড়ে যাওয়া রোগী তিনজন, এবং ৫০ থেকে ১০০ ভাগ পুড়ে যাওয়া রোগী রোগী আছেন ১৬ জন।