Dhaka সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ অত্যন্ত স্বাধীন এবং স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে থাকে। বিচার বিভাগ যখন স্বাধীন এবং স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে থাকে তখন মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির যে অধিকার সে অধিকারটি সুনিশ্চিত হয়।

মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পূর্ববর্তী তিনটি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আবার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। গণতন্ত্রের এই যাত্রা শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মনে করি বাংলাদেশে সুশাসন সুনিশ্চিত হবে এবং যখন সুশাসন সুনিশ্চিত হবে তখন মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার সুরক্ষিত হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ স্বতন্ত্রভাবে কাজ করবে। তবে কার্যক্রমের ক্ষেত্রে তারা পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এটা মনে রাখতে হবে। রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ, পার্লামেন্ট এবং বিচার বিভাগ স্বতন্ত্রভাবে কাজ করবে। যখনই স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারবে তখন গণতন্ত্র সুসংহত হবে।

অ্যার্টনি জেনালেন বলেন, ৩১ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ তার ব্যাপক জনপ্রিয়তার প্রমাণ। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন একজন নেত্রী। গণতন্ত্র উত্তরণের এ পর্যায়ে তিনি (খালেদা জিয়া) আমাদের মাঝে নেই। তারেক রহমান যেন ভবিষ্যতে সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য আজ দোয়া করা হয়েছে। একইসঙ্গে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর জন্যও দোয়া করা হয়।

তিনি বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের মূল লক্ষ্য।

ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, রাষ্ট্রের নির্বাহী, বিচার বিভাগ ও আইনসভা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারলেই গণতন্ত্র সুসংহত হবে। তবে এখন পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি।

বিকেল তিনটায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের সমাধি কমপ্লেক্সে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এসময় জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো’র জন্য দোয়া-মোনাজাত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল। এসময় দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৫ মার্চ দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। পরদিন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আবহাওয়া

সংবাদ সম্মেলনে অঝোরে কাঁদলেন নিশো

গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ অত্যন্ত স্বাধীন এবং স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে থাকে। বিচার বিভাগ যখন স্বাধীন এবং স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে থাকে তখন মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির যে অধিকার সে অধিকারটি সুনিশ্চিত হয়।

মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পূর্ববর্তী তিনটি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আবার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। গণতন্ত্রের এই যাত্রা শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মনে করি বাংলাদেশে সুশাসন সুনিশ্চিত হবে এবং যখন সুশাসন সুনিশ্চিত হবে তখন মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার সুরক্ষিত হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ স্বতন্ত্রভাবে কাজ করবে। তবে কার্যক্রমের ক্ষেত্রে তারা পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এটা মনে রাখতে হবে। রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ, পার্লামেন্ট এবং বিচার বিভাগ স্বতন্ত্রভাবে কাজ করবে। যখনই স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারবে তখন গণতন্ত্র সুসংহত হবে।

অ্যার্টনি জেনালেন বলেন, ৩১ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ তার ব্যাপক জনপ্রিয়তার প্রমাণ। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন একজন নেত্রী। গণতন্ত্র উত্তরণের এ পর্যায়ে তিনি (খালেদা জিয়া) আমাদের মাঝে নেই। তারেক রহমান যেন ভবিষ্যতে সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য আজ দোয়া করা হয়েছে। একইসঙ্গে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর জন্যও দোয়া করা হয়।

তিনি বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের মূল লক্ষ্য।

ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, রাষ্ট্রের নির্বাহী, বিচার বিভাগ ও আইনসভা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারলেই গণতন্ত্র সুসংহত হবে। তবে এখন পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি।

বিকেল তিনটায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের সমাধি কমপ্লেক্সে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এসময় জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো’র জন্য দোয়া-মোনাজাত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল। এসময় দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৫ মার্চ দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। পরদিন ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।