বরিশাল জেলা প্রতিনিধি :
বরিশালের বাকেরগঞ্জে তাহাসিন (৭) নামের এক শিশুর খাতনা করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ‘ডাক্তার’ বিরুদ্ধে। এতে অতিরিক্তক্ষরণ শুরু হলে তাহাসিনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী তাহসিন স্থানীয় আল আমিন হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের মৃত অরেজ আলী হাওলাদারের ছেলে গ্রাম ডাক্তার শাহজাহান হাওলাদার। তার ভুলে শিশু তানসিনের জীবন যেতে বসেছে। এ কারণে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে হাতুড়ে ডাক্তার শাহজাহান হাওলাদারকে আটকে রেখেছে।
ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মো. আল আমিন হাওলাদার বলেন, পাদ্রীশিবপুরের গ্রাম ডাক্তার শাহজাহানকে ছেলের খাতনা করানোর জন্য ডাকা হয়। তিনি আমাদের বাড়িতে আসেন ছেলের খাতনা করার জন্য। খাতনার সময় ছেলের পুরুষঙ্গের সামনের অংশ কাটতে গিয়ে পুরষঙ্গ কেটে ফেলেন। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। তাৎক্ষনিক ছেলেকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলেউন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানে ছেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত চিকিৎসক মিরাজ হোসেন বলেন, ‘আমাদের কাছে ৭-৮ বছর বয়সি ওই শিশুকে তার অভিভাবকরা এনেছিলেন। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে স্থানান্তর করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে বাকেরগঞ্জ থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।