Dhaka শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেউ পাস না করলে আগামীতে প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল : শিক্ষামন্ত্রী

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : 

এসএসসিতে কেউ পাস না করলে আগামীতে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় হচ্ছে এবাদতখানা। আমি আমার মন্ত্রণালয়কে এবাদতখানা মনে করি। নকলমুক্ত ও শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে এ বছর যেসব প্রতিষ্ঠান জিরো পাবে (শূন্য পাসের হার), তাদের এমপিও বাতিল হবে না। তবে আগামী বছর থেকে এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অসচ্ছলতা রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনে আমি টাকা দেব। তবে সিসি ক্যামেরায় সব রেকর্ড থাকতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে আইপিএস রাখতে হবে। পরে বলা যাবে না বিদ্যুৎ না থাকায় রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। কোনো লিকেজ থাকতে পারবে না।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, পরীক্ষা চলাকালে কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে কেন্দ্র সচিবকে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি প্রতিষ্ঠানের বাথরুমেও যদি কোনো নকল পাওয়া যায়- তার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে জবাবদিহি করতে হবে। বাইরে থেকে কেউ নকলের সহযোগিতা করলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে নকল করতে দেওয়া হবে না, নকলের সহযোগিতা করতে দেওয়া হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যদি কোনো শিক্ষক খাতা দেখায় দুর্বলতা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে নম্বর কম দেওয়া বা বাড়িয়ে দেওয়া হয় সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আইন করা হয়েছে। কোনোধরনের পরীক্ষাতেই আর নকল করার সুযোগ নেই। সেটা পাবলিক পরীক্ষা হোক কিংবা চাকরির ইন্টারভিউ হোক। সব পরীক্ষাতেই একই আইন বলবৎ থাকবে।

তিনি বলেন, নকলের বিরুদ্ধে অভিযানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাকে সবসময় সাহস যুগিয়েছেন, অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আমাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন, অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন নকলের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে। তার একটাই এজেন্ডা- আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। সেই এজেন্ডা বাস্তবায়নের শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ব্যাপক ভূমিকা নিতে হবে।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আপনারা যদি শিক্ষার্থীদেরকে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে আপনারা সাদগাহে যারিয়ার সাওয়াব পাবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলেই সাদগাহে যারিয়ার সওয়াব পাবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় হচ্ছে আমার এবাদতখানা। সেই এবাদতখানার দায়িত্ব আমি পেয়েছি। সেখানে আপনাকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের আর দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো নয়। এখানে অসৎ কাজ করা যায় না। এ মন্ত্রণালয় আমার সঙ্গে কাজ করছেন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকলের ডেট অফ বার্থ শুরু হয়েছিল ১৯৭২। ৭২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কারা নকলে সহযোগিতা করছিল? আমরা সেই নকলের মূল উৎপাদন করেছিলাম। কিন্তু তা পুনরায় চালু করল কারা? ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি তো আমেরিকা থেকে শিক্ষক ইমপোর্ট করিনি। আপনারাই তো দেখছেন নকলমুক্ত করতে সহযোগিতা করেছিলেন। তাহলে পুনরায় কেন নকলের প্রাদুর্ভাব বাড়ল। তার মানে কি, আপনারা সরকার যেভাবে চায় সেভাবেই চলেন? আমরা জানি, স্টিয়ারিং যেহেতু সরকারের হাতে- সুতরাং আপনারা সেভাবেই চলেন। মাঝখানের সময়টাতে সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেল। তবে এখন আর নকলের সুযোগ হবে না। শিক্ষার্থীদেরকে যত্ন সহকারে মনোযোগ দিয়ে পড়াতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জেনজিরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা নতুন করে বাংলাদেশকে দেখার চেষ্টা করছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা অন্যায় করে না, তারা আর কোনো অন্যায় দেখতে চায় না। তারা চেয়েছে বাংলাদেশে পরিবর্তন আসুক। পরিবর্তন এসেছে, পরিবর্তিত বাংলাদেশে তারাই পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদেরকে দিয়েই আগামীতে আমরা দেশ চালাব। তারাই তো আমাদের আগামী দিনের পরীক্ষার্থী। তারা কি আর কোনো অন্যায় করবে? না, করবে না। বরং তারা শিক্ষকদেরকে আরও সহযোগিতা করবে। তাদের অভিভাবকরাও সত্যের পথে। পুরো জাতিই আজ সত্যের পথে। আজকে আমি এখানে প্রথম অনুষ্ঠান শুরু করেছি, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় আমি অনুষ্ঠান করব। সকলের অভিমত শুনব।

প্রত্যেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক উল্লেখ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সময়মত পাঠদানে ক্লাসরুমে উপস্থিত থাকেন কিনা সেটা রেকর্ড রাখতে হবে। এছাড়াও শতভাগ কোচিং সেন্টার বন্ধ করতে হবে। কোচিং সেন্টার এবং ব্যাংকের ছাতার মতো গড়ে ওঠা কিন্ডারগার্টেনও নিবন্ধনের আওতায় আনবে সরকার। সবেমাত্র দায়িত্ব পেলাম, এই দেশে আর কোচিং সেন্টার চলতে দেওয়া হবে না।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা-৬ (সদর-সদর দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা- ৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমএ মান্নান, কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূইয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ডেপুটি কন্ট্রলার মো.কবির আহমেদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো.শামছুল ইসলাম।

আবহাওয়া

শাকিবের ‘ব্যাড টাচ’ বিতর্কের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন জ্যোতির্ময়ী

কেউ পাস না করলে আগামীতে প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : 

এসএসসিতে কেউ পাস না করলে আগামীতে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় হচ্ছে এবাদতখানা। আমি আমার মন্ত্রণালয়কে এবাদতখানা মনে করি। নকলমুক্ত ও শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে এ বছর যেসব প্রতিষ্ঠান জিরো পাবে (শূন্য পাসের হার), তাদের এমপিও বাতিল হবে না। তবে আগামী বছর থেকে এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অসচ্ছলতা রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনে আমি টাকা দেব। তবে সিসি ক্যামেরায় সব রেকর্ড থাকতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে আইপিএস রাখতে হবে। পরে বলা যাবে না বিদ্যুৎ না থাকায় রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। কোনো লিকেজ থাকতে পারবে না।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, পরীক্ষা চলাকালে কোনো প্রতিষ্ঠানে নকল পাওয়া গেলে কেন্দ্র সচিবকে আইনের আওতায় আনা হবে। এমনকি প্রতিষ্ঠানের বাথরুমেও যদি কোনো নকল পাওয়া যায়- তার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে জবাবদিহি করতে হবে। বাইরে থেকে কেউ নকলের সহযোগিতা করলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে নকল করতে দেওয়া হবে না, নকলের সহযোগিতা করতে দেওয়া হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যদি কোনো শিক্ষক খাতা দেখায় দুর্বলতা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে নম্বর কম দেওয়া বা বাড়িয়ে দেওয়া হয় সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আইন করা হয়েছে। কোনোধরনের পরীক্ষাতেই আর নকল করার সুযোগ নেই। সেটা পাবলিক পরীক্ষা হোক কিংবা চাকরির ইন্টারভিউ হোক। সব পরীক্ষাতেই একই আইন বলবৎ থাকবে।

তিনি বলেন, নকলের বিরুদ্ধে অভিযানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাকে সবসময় সাহস যুগিয়েছেন, অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আমাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন, অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন নকলের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে। তার একটাই এজেন্ডা- আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে। সেই এজেন্ডা বাস্তবায়নের শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ব্যাপক ভূমিকা নিতে হবে।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আপনারা যদি শিক্ষার্থীদেরকে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে আপনারা সাদগাহে যারিয়ার সাওয়াব পাবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলেই সাদগাহে যারিয়ার সওয়াব পাবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় হচ্ছে আমার এবাদতখানা। সেই এবাদতখানার দায়িত্ব আমি পেয়েছি। সেখানে আপনাকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের আর দশটা মন্ত্রণালয়ের মতো নয়। এখানে অসৎ কাজ করা যায় না। এ মন্ত্রণালয় আমার সঙ্গে কাজ করছেন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকলের ডেট অফ বার্থ শুরু হয়েছিল ১৯৭২। ৭২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কারা নকলে সহযোগিতা করছিল? আমরা সেই নকলের মূল উৎপাদন করেছিলাম। কিন্তু তা পুনরায় চালু করল কারা? ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি তো আমেরিকা থেকে শিক্ষক ইমপোর্ট করিনি। আপনারাই তো দেখছেন নকলমুক্ত করতে সহযোগিতা করেছিলেন। তাহলে পুনরায় কেন নকলের প্রাদুর্ভাব বাড়ল। তার মানে কি, আপনারা সরকার যেভাবে চায় সেভাবেই চলেন? আমরা জানি, স্টিয়ারিং যেহেতু সরকারের হাতে- সুতরাং আপনারা সেভাবেই চলেন। মাঝখানের সময়টাতে সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেল। তবে এখন আর নকলের সুযোগ হবে না। শিক্ষার্থীদেরকে যত্ন সহকারে মনোযোগ দিয়ে পড়াতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জেনজিরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা নতুন করে বাংলাদেশকে দেখার চেষ্টা করছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা অন্যায় করে না, তারা আর কোনো অন্যায় দেখতে চায় না। তারা চেয়েছে বাংলাদেশে পরিবর্তন আসুক। পরিবর্তন এসেছে, পরিবর্তিত বাংলাদেশে তারাই পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদেরকে দিয়েই আগামীতে আমরা দেশ চালাব। তারাই তো আমাদের আগামী দিনের পরীক্ষার্থী। তারা কি আর কোনো অন্যায় করবে? না, করবে না। বরং তারা শিক্ষকদেরকে আরও সহযোগিতা করবে। তাদের অভিভাবকরাও সত্যের পথে। পুরো জাতিই আজ সত্যের পথে। আজকে আমি এখানে প্রথম অনুষ্ঠান শুরু করেছি, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় আমি অনুষ্ঠান করব। সকলের অভিমত শুনব।

প্রত্যেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক উল্লেখ করে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সময়মত পাঠদানে ক্লাসরুমে উপস্থিত থাকেন কিনা সেটা রেকর্ড রাখতে হবে। এছাড়াও শতভাগ কোচিং সেন্টার বন্ধ করতে হবে। কোচিং সেন্টার এবং ব্যাংকের ছাতার মতো গড়ে ওঠা কিন্ডারগার্টেনও নিবন্ধনের আওতায় আনবে সরকার। সবেমাত্র দায়িত্ব পেলাম, এই দেশে আর কোচিং সেন্টার চলতে দেওয়া হবে না।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা-৬ (সদর-সদর দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা- ৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমএ মান্নান, কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূইয়া, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ডেপুটি কন্ট্রলার মো.কবির আহমেদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো.শামছুল ইসলাম।