Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুয়াশায় কারণে ঢাকার ফ্লাইট গেল কলকাতা-হায়দ্রাবাদ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • ২৬৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে না পেরে ১৩টি ফ্লাইট ভারতের কলকাতা, হায়দ্রাবাদ, চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। এর মধ্যে সাতটি ফ্লাইট কলকাতা ও হায়দ্রবাদ যায়। বাকিগুলো চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামার কথা ছিল ১৩টি ফ্লাইটের।

শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘন কুয়াশার কারণে বুধবার দিবাগত রাত ২টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১৩টি ফ্লাইট ডাইভার্ট হয়ে কলকাতা, হায়দ্রাবাদ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের পর ফ্লাইটগুলো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসা শুরু করেছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, অবতরণ করতে না পারা ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েত থেকে আসা জাজিরা এয়ারওয়েজ, ওমানের মাস্কাট থেকে আসা সালাম এয়ার, কুয়ালালামপুর থেকে আসা এয়ার এশিয়া, শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়া, চীনের গুয়াংঞ্জু ও কুয়ালালামপুর থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইট কলকাতায় অবতরণ করে।

রিয়াদ থেকে আসা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের (সাউদিয়া) ফ্লাইটটি মাঝপথে হায়দ্রাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে।

এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের শারজাহ, গুয়াংঞ্জুসহ বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্সের বাকি ফ্লাইটগুলো সিলেট ও চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ঘন কুয়াশার কারণে এর আগেও শাহজালালে বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামায় বিঘ্ন ঘটেছিল। আন্তর্জাতিক রুটের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ রুটেও বিমান ওঠানামা ব্যাহত হয়। পরে কুয়াশা কেটে গেলে আবার বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আবাহওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকদিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ কারণে বিমান, নৌ ও সড়কপথে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হতে পারে বলে জানিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সরকারি চাকরিজীবীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর প্রচার চালাতে পারবেন না

কুয়াশায় কারণে ঢাকার ফ্লাইট গেল কলকাতা-হায়দ্রাবাদ

প্রকাশের সময় : ১১:৫২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে না পেরে ১৩টি ফ্লাইট ভারতের কলকাতা, হায়দ্রাবাদ, চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। এর মধ্যে সাতটি ফ্লাইট কলকাতা ও হায়দ্রবাদ যায়। বাকিগুলো চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বুধবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামার কথা ছিল ১৩টি ফ্লাইটের।

শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘন কুয়াশার কারণে বুধবার দিবাগত রাত ২টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১৩টি ফ্লাইট ডাইভার্ট হয়ে কলকাতা, হায়দ্রাবাদ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের পর ফ্লাইটগুলো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসা শুরু করেছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, অবতরণ করতে না পারা ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েত থেকে আসা জাজিরা এয়ারওয়েজ, ওমানের মাস্কাট থেকে আসা সালাম এয়ার, কুয়ালালামপুর থেকে আসা এয়ার এশিয়া, শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়া, চীনের গুয়াংঞ্জু ও কুয়ালালামপুর থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইট কলকাতায় অবতরণ করে।

রিয়াদ থেকে আসা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের (সাউদিয়া) ফ্লাইটটি মাঝপথে হায়দ্রাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে।

এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের শারজাহ, গুয়াংঞ্জুসহ বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্সের বাকি ফ্লাইটগুলো সিলেট ও চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ঘন কুয়াশার কারণে এর আগেও শাহজালালে বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামায় বিঘ্ন ঘটেছিল। আন্তর্জাতিক রুটের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ রুটেও বিমান ওঠানামা ব্যাহত হয়। পরে কুয়াশা কেটে গেলে আবার বিমান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আবাহওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কয়েকদিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ কারণে বিমান, নৌ ও সড়কপথে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হতে পারে বলে জানিয়েছিল আবহাওয়া অধিদফতর।