Dhaka রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় শিক্ষক হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : 

কুমিল্লায় নগরীর বারপাড়া এলাকায় কলেজশিক্ষক সাইফুল আজম সুজন হত্যার ঘটনায় ৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২ মে) বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি জাকির হোসেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- কামাল, মো. ইলিয়াছ, মো. নয়ন, জাকির হোসেন, মিঠুন ও মো. জামাল। তাদের মধ্যে কামাল, মিঠুন ও নয়ন পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, কুমিল্লা নগরীর বারোপাড়া এলাকার কলেজ শিক্ষক সাইফুল আজম সুজনকে ২০১০ সালে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। ওই বছরের ১০ অক্টোবর নিহত সুজনের বাবা বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ২০১১ সালের ৪ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা ৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের পর ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন। ৯ আসামির মধ্যে শহিদুর রহমান নামের একজন বিচার চলাকালীন মারা যান। বাকী ৮ জনের মধ্যে দুজন নারী আসামির সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় সময় জাকির হোসেন, মো. মিঠুন ও ইলিয়াস হোসেন কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় অপর দুই নারী আসামি রেশমা বেগম ও লাকী আক্তারকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এরা সবাই বারপাড়া এলাকায় বাসিন্দা।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট বিকেল ৪টায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কলেজশিক্ষক সাইফুল আজম সুজনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

প্রধান উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

কুমিল্লায় শিক্ষক হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৩:০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : 

কুমিল্লায় নগরীর বারপাড়া এলাকায় কলেজশিক্ষক সাইফুল আজম সুজন হত্যার ঘটনায় ৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২ মে) বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি জাকির হোসেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- কামাল, মো. ইলিয়াছ, মো. নয়ন, জাকির হোসেন, মিঠুন ও মো. জামাল। তাদের মধ্যে কামাল, মিঠুন ও নয়ন পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, কুমিল্লা নগরীর বারোপাড়া এলাকার কলেজ শিক্ষক সাইফুল আজম সুজনকে ২০১০ সালে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। ওই বছরের ১০ অক্টোবর নিহত সুজনের বাবা বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ২০১১ সালের ৪ জুন তদন্তকারী কর্মকর্তা ৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের পর ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দেন। ৯ আসামির মধ্যে শহিদুর রহমান নামের একজন বিচার চলাকালীন মারা যান। বাকী ৮ জনের মধ্যে দুজন নারী আসামির সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রায় ঘোষণার সময় সময় জাকির হোসেন, মো. মিঠুন ও ইলিয়াস হোসেন কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
দোষী সাব্যস্ত না হওয়ায় অপর দুই নারী আসামি রেশমা বেগম ও লাকী আক্তারকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এরা সবাই বারপাড়া এলাকায় বাসিন্দা।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট বিকেল ৪টায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কলেজশিক্ষক সাইফুল আজম সুজনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।