Dhaka রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কনটেইনারে পাওয়া গেল ৭ অভিবাসনপ্রত্যাশীর কঙ্কাল

  • যোগাযোগ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০
  • ২৬৩ জন দেখেছেন

সংগৃহীত ছবি

গত ২১ জুলাই সার্বিয়া থেকে প্যারাগুয়ের উদ্দেশ্যে জাহাজে ওঠানো হয়েছিল একটি কনটেইনার। তিন মাস পর অক্টোবরে সেটি প্যারাগুয়ের একটি সার কারাখানায় পৌঁছায়। পরে কনটেইনার খুলে সাতজনের চুল ও কঙ্কাল পাওয়া যায়।

বিবিসির খবরে বলা হয়, প্যারাগুয়েতে একটি কনটেইনারের মধ্যে মিলেছে সাত অভিবাসনপ্রত্যাশীর কঙ্কাল। তিন মাস ধরে কনটেইনারের ভেতরে থেকে সেখানেই মরে কঙ্কালে পরিণত হয়েছেন তারা।

খবরে বলা হয়েছে, কনটেইনারে কঙ্কাল হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে তিনজন মরক্কোর এবং একজন মিসরের বলে ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা গেছে।

আরও পড়ুন : করোনায় লকডাউনের পথে ইউরোপ

জানা গেছে, সার্বিয়া থেকে কনটেইনারটি ক্রোয়েশিয়া হয়ে প্যারাগুয়ে আসার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা মিসর, স্পেন অথবা আর্জেন্টিনায় নেমে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

তাদের যে পরিমাণ শুকনো খাবার ও পানি দিয়ে কনটেইনারে ঢুকানো হয়েছিল, তা ৭২ ঘণ্টায়ই শেষ হয়ে যায় বলে ধারণা পুলিশের। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে প্যারাগুয়ে কর্তৃপক্ষ।

 

আবহাওয়া

কনটেইনারে পাওয়া গেল ৭ অভিবাসনপ্রত্যাশীর কঙ্কাল

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০

গত ২১ জুলাই সার্বিয়া থেকে প্যারাগুয়ের উদ্দেশ্যে জাহাজে ওঠানো হয়েছিল একটি কনটেইনার। তিন মাস পর অক্টোবরে সেটি প্যারাগুয়ের একটি সার কারাখানায় পৌঁছায়। পরে কনটেইনার খুলে সাতজনের চুল ও কঙ্কাল পাওয়া যায়।

বিবিসির খবরে বলা হয়, প্যারাগুয়েতে একটি কনটেইনারের মধ্যে মিলেছে সাত অভিবাসনপ্রত্যাশীর কঙ্কাল। তিন মাস ধরে কনটেইনারের ভেতরে থেকে সেখানেই মরে কঙ্কালে পরিণত হয়েছেন তারা।

খবরে বলা হয়েছে, কনটেইনারে কঙ্কাল হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে তিনজন মরক্কোর এবং একজন মিসরের বলে ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা গেছে।

আরও পড়ুন : করোনায় লকডাউনের পথে ইউরোপ

জানা গেছে, সার্বিয়া থেকে কনটেইনারটি ক্রোয়েশিয়া হয়ে প্যারাগুয়ে আসার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা মিসর, স্পেন অথবা আর্জেন্টিনায় নেমে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

তাদের যে পরিমাণ শুকনো খাবার ও পানি দিয়ে কনটেইনারে ঢুকানো হয়েছিল, তা ৭২ ঘণ্টায়ই শেষ হয়ে যায় বলে ধারণা পুলিশের। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে প্যারাগুয়ে কর্তৃপক্ষ।