Dhaka শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে ডিএমপিতে ১৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০২:২২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২০৬ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে ডিএমপিতে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ডিএমপির নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ফেব্রুয়ারি বাঙালির আবেগের মাস। যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাষা শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বিদেশি কূটনীতিকরাও এসময় শ্রদ্ধা জানাবেন।

তিনি বলেন, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ব্যাপক লোকসমাগম হবে। এ উপলক্ষে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন থাকবে।

এ সময় তিনি এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, অত্যন্ত সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে জনগণ ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, কোথাও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল না। অমর একুশের অনুষ্ঠানেও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই।

এছাড়া, গোয়েন্দা নজরদারিসহ সাইবার মনিটরিংও জোরদার করার করার কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, আমি আশা করি কোনো সমস্যা হবে না এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু শহীদ মিনারকেন্দ্রিক হয় না। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরাে ঢাকা শহর নিয়ে এবং পুরো ঢাকা শহরকে আমরা সিকিউর রাখার জন্য সবসময় চেষ্টা করি। এখনো সেই চেষ্টা করে যাবো।

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। এছাড়া বিদেশি কূটনীতিকরাও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাবেন। ভিভিআইপি ও ভিআইপিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা ঢাকাবাসীকে শহীদ মিনারে প্রবেশের জন্য পলাশীর মোড়ুজগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে নির্ধারিত রুট অনুসরণের করতে বলা হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর অথবা চানখারপুল হয়ে প্রস্থান করতে হবে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান কমিশনার।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে অমর একুশের অনুষ্ঠানেও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তবে নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ মিনারে কেউ যেন ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য বহন না করেন। নির্ধারিত রুটে প্রবেশ ও প্রস্থান করে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অন্যদের সুযোগ করে দেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কিছু ট্রাফিক ডাইভারশন কার্যকর থাকবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করবেন না। এ বিষয়ে জানতে আইজিপির সঙ্গে কথা বলতে হবে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, শুধু শহীদ মিনার নয় পুরো ঢাকা শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে।

সাধারণের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারের রুট অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্ত্বর অথবা চানখাঁরপুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারে কেউ কোনো ধরনের ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফরক দ্রব্য নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। সবাই নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে শহীদ মিনারে প্রবেশ করবেন এবং নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে প্রস্থান করবেন। আপনার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অন্যকে সুযোগ দিন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ড্রাইভারশন চলবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক-ছাত্র-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেসব ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে আমাদের সহযোগিতা করবেন।

ডাইভারশন ও যান চলাচলের বিষয়ে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, শাহবাগ ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং, শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, চানখাঁরপুল ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং বকশিবাজার ক্রসিংয়ে আমাদের ডাইভারশন থাকবে। আমরা যে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়েছি প্রত্যেকবারের মতো, এবারও সবাই আমাদের সহযোগিতা করবেন। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় আমরা এই অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ডাইভারশন চলবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক ছাত্র কর্মকর্তা কর্মচারীরা সেসব ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে আমাদের সহযোগিতা করবেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে ডিএমপিতে ১৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন

প্রকাশের সময় : ০২:২২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে ডিএমপিতে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ডিএমপির নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ফেব্রুয়ারি বাঙালির আবেগের মাস। যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাষা শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। বিদেশি কূটনীতিকরাও এসময় শ্রদ্ধা জানাবেন।

তিনি বলেন, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ব্যাপক লোকসমাগম হবে। এ উপলক্ষে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন থাকবে।

এ সময় তিনি এক সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, অত্যন্ত সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে জনগণ ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, কোথাও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল না। অমর একুশের অনুষ্ঠানেও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই।

এছাড়া, গোয়েন্দা নজরদারিসহ সাইবার মনিটরিংও জোরদার করার করার কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, আমি আশা করি কোনো সমস্যা হবে না এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু শহীদ মিনারকেন্দ্রিক হয় না। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরাে ঢাকা শহর নিয়ে এবং পুরো ঢাকা শহরকে আমরা সিকিউর রাখার জন্য সবসময় চেষ্টা করি। এখনো সেই চেষ্টা করে যাবো।

একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। এছাড়া বিদেশি কূটনীতিকরাও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাবেন। ভিভিআইপি ও ভিআইপিদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা ঢাকাবাসীকে শহীদ মিনারে প্রবেশের জন্য পলাশীর মোড়ুজগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে নির্ধারিত রুট অনুসরণের করতে বলা হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর অথবা চানখারপুল হয়ে প্রস্থান করতে হবে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান কমিশনার।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে অমর একুশের অনুষ্ঠানেও কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তবে নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ও ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ মিনারে কেউ যেন ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য বহন না করেন। নির্ধারিত রুটে প্রবেশ ও প্রস্থান করে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অন্যদের সুযোগ করে দেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কিছু ট্রাফিক ডাইভারশন কার্যকর থাকবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করবেন না। এ বিষয়ে জানতে আইজিপির সঙ্গে কথা বলতে হবে। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, শুধু শহীদ মিনার নয় পুরো ঢাকা শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে।

সাধারণের জন্য পলাশীর মোড়-জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারের রুট অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্ত্বর অথবা চানখাঁরপুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ মিনারে কেউ কোনো ধরনের ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফরক দ্রব্য নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। সবাই নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে শহীদ মিনারে প্রবেশ করবেন এবং নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে প্রস্থান করবেন। আপনার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অন্যকে সুযোগ দিন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ড্রাইভারশন চলবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক-ছাত্র-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেসব ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে আমাদের সহযোগিতা করবেন।

ডাইভারশন ও যান চলাচলের বিষয়ে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, শাহবাগ ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং, শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, চানখাঁরপুল ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং বকশিবাজার ক্রসিংয়ে আমাদের ডাইভারশন থাকবে। আমরা যে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়েছি প্রত্যেকবারের মতো, এবারও সবাই আমাদের সহযোগিতা করবেন। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় আমরা এই অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো।

নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ডাইভারশন চলবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক ছাত্র কর্মকর্তা কর্মচারীরা সেসব ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে আমাদের সহযোগিতা করবেন।