Dhaka শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদের ছুটি শেষ হলেও ক্রেতা কম থাকলেও কমেনি নিত্যপণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি রাজধানীর বাজার। বেশকিছু দোকানপাট এখনও বন্ধ, ক্রেতার উপস্থিতিও কম। তবে ক্রেতা কম থাকলেও কমেনি নিত্যপণ্যের দাম। মাংস ও সবজির বাজারে দেখা গেছে চড়া দামের প্রবণতা।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ঈদের ছুটি শেষে অনেক ব্যবসায়ী এখনও পুরোপুরি দোকান খুলে বসেননি। ফলে সরবরাহ কিছুটা কম। অন্যদিকে যারা বাজারে আসছেন তাদের সংখ্যাও তুলনামূলক কম। তবুও কমেনি দাম। বরং বেশিরভাগ পণ্যের দাম আগের চেয়ে বেশি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনও জমে ওঠেনি রাজধানীর বাজারগুলো।

বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৫০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরলতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, সজনে ডাটা ৮০ থেকে ১শ টাকা এবং ধুন্দল ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ৩০ কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে দেশি ধনেপাতা ১৮০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১শ থেকে ১২০ কেজি, পুদিনা পাতা ২শ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ১শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে শীতকালীন সিম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, টমেটো প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা, ফুল কপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ টাকা এবং লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে শাকের দাম কিছুটা কমেছে। লালশাক আঁটি ১০ টাকা, লাউশাক আঁটি ২০ টাকা, কলমিশাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পালংশাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আলুর দাম বাড়লেও পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি কক মুরগি ৪শ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩২০ টাকা ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস ৮শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, গরুর কলিজা ৮শ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৪শ থেকে ৪৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২শ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে ইলিশ মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে। ইলিশ ৩শ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২শ টাকা থেকে ১৪শ এবং ৫শ গ্রামের ইলিশ ১৮শ থেকে দুই হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং এক হাজার থেকে ১২শ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪শ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮শ থেকে এক হাজার টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪শ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২শ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮শ থেকে ১৪শ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬শ থেকে ৮শ টাকায়, বড় কাতল ৪শ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪শ টাকায়, পাবদা মাছ ৪শ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২শ টাকায়, কৈ মাছ ২শ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫শ টাকা, বাতাসি ১৩শ টাকায়, টেংরা মাছ ৬শ থেকে ৮শ টাকা, কাচকি মাছ ৫শ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২শ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১শ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আবহাওয়া

মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি সেতু নির্মাণ কাজ, দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয়রা

ঈদের ছুটি শেষ হলেও ক্রেতা কম থাকলেও কমেনি নিত্যপণ্যের দাম

প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি রাজধানীর বাজার। বেশকিছু দোকানপাট এখনও বন্ধ, ক্রেতার উপস্থিতিও কম। তবে ক্রেতা কম থাকলেও কমেনি নিত্যপণ্যের দাম। মাংস ও সবজির বাজারে দেখা গেছে চড়া দামের প্রবণতা।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ঈদের ছুটি শেষে অনেক ব্যবসায়ী এখনও পুরোপুরি দোকান খুলে বসেননি। ফলে সরবরাহ কিছুটা কম। অন্যদিকে যারা বাজারে আসছেন তাদের সংখ্যাও তুলনামূলক কম। তবুও কমেনি দাম। বরং বেশিরভাগ পণ্যের দাম আগের চেয়ে বেশি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনও জমে ওঠেনি রাজধানীর বাজারগুলো।

বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি বরবটি ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে ৫০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরলতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, সজনে ডাটা ৮০ থেকে ১শ টাকা এবং ধুন্দল ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ৩০ কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে দেশি ধনেপাতা ১৮০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১শ থেকে ১২০ কেজি, পুদিনা পাতা ২শ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ১শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে শীতকালীন সিম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, টমেটো প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা, ফুল কপি বড় সাইজের প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধা কপি ৩০ টাকা এবং লাউ ৪০ থেকে ৬০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে শাকের দাম কিছুটা কমেছে। লালশাক আঁটি ১০ টাকা, লাউশাক আঁটি ২০ টাকা, কলমিশাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পালংশাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আলুর দাম বাড়লেও পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং পেঁয়াজ কলি ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি কক মুরগি ৪শ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ৩২০ টাকা ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস ৮শ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, গরুর কলিজা ৮শ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৪শ থেকে ৪৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১২শ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে ইলিশ মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে। ইলিশ ৩শ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১২শ টাকা থেকে ১৪শ এবং ৫শ গ্রামের ইলিশ ১৮শ থেকে দুই হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি শিং এক হাজার থেকে ১২শ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪শ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮শ থেকে এক হাজার টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪শ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৭০ থেকে ২শ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮শ থেকে ১৪শ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬শ থেকে ৮শ টাকায়, বড় কাতল ৪শ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪শ টাকায়, পাবদা মাছ ৪শ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২শ টাকায়, কৈ মাছ ২শ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫শ টাকা, বাতাসি ১৩শ টাকায়, টেংরা মাছ ৬শ থেকে ৮শ টাকা, কাচকি মাছ ৫শ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২শ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১শ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।