স্পোর্টস ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব কাটিয়ে দিয়েছেন ১৮ বছর। এই সময়ে অসংখ্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। বল হাতে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েছেন। দুঃসংবাদ পেলেন ক্যারিয়ারের শেষ সময়ে এসে। অবৈধ অ্যাকশনের দায়ে ইংল্যান্ডের সকল ধরনের ক্রিকেটে তার বোলিং নিষিদ্ধ করেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে ইসিবি জানিয়েছে, সাকিব বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। সে কারণে বোলিং অ্যাকশন শুধরে ফেরার আগপর্যন্ত ইংল্যান্ডের কোনো ধরনের প্রতিযোগিতায় বোলিং করতে পারবেন না তিনি।
তবে এ নিষেধাজ্ঞা শুধু ইসিবি আয়োজিত টুর্নামেন্টে কার্যকর হবে। অর্থাৎ আরেকবার বোলিং অ্যাকশানের পরীক্ষা দিয়ে পাশ করার আগ পর্যন্ত কাউন্টির মতো ইসিবি আয়োজিত টুর্নামেন্টগুলোতে বোলিং করতে পারবেন না সাকিব।
চলতি মাসের শুরুতে সাকিবের বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা নেয় লাফবরো ইউনিভার্সিটি। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক যে, বাঁহাতি টাইগার অলরাউন্ডার সে পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি।
বোলিংয়ের অধিকার ফিরে পেতে সাকিবকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হবে। ক্রিকেটের নিয়ম অনুসারে, বোলিংয়ের সময় স্পিনাররা তাদের কনুই সর্বোচ্চ ১৪ ডিগ্রিতে ভাঙতে পারেন। সাকিবকেও প্রমাণ করতে হবে, তিনিও কনুই ১৪ ডিগ্রির কম ভেঙে বোলিং করতে পারেন।
সাকিবের বোলিং নিষিদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে গেল ১০ ডিসেম্বর থেকে। কারণ, ওইদিনই পরীক্ষার ফল জানিয়েছিল লাফবরো ইউনিভার্সিটি।
২০১০-২০১১ সালের পর গেল সেপ্টেম্বরে প্রথম কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে যান সাকিব। টন্টনে সারের হয়ে চারদিনের একটি ম্যাচ খেলেন টাইগার অলরান্ডার। দুই ইনিংস মিলিয়ে শিকার করেন মোট ৯ উইকেট। যদিও ব্যাট হাতে তেমন ভালো করতে পারেননি।
কাউন্টি ক্রিকেট শেষ করে ভারত সফরে থাকা বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দেন। তখন সারেতে সাকিবের বোলিংয়ের দারুণ সমীহ হয়েছিল সতীর্থ ও ভক্ত-সমর্থকদের কাছে। কিন্তু এখন দেখা গেল, কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে যাওয়াই কাল হয়েছে সাকিবের।
স্পোর্টস ডেস্ক 

























