Dhaka রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা কাজ শুরু করেছি, টিকার কোনো ঘাটতি রাখবো না : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি :  

টিকাদান কর্মসূচী চলবে এবং এতে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না বলে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, দেশের সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে পারলে আমরা নিরাপদ থাকব। আমাদের দেশের শিশুরা সুস্থ ও নিরাপদ থাকবে। আমরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ টিকার কোনো রকম ঘাটতি হবে না। টিকাদান কর্মসূচিতে বিশ্বের কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থা সহযোগিতা করছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পদক্ষেপ নিয়েছে। যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে, আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি এবং ঘাটতিগুলো পূরণ করছি। টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, কর্মসূচি চলবে।

তিনি বলেন, কোনো রকম ঘাটতি আমরা রাখব না। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, সচেতন করুন যেনো সবাই টিকা নেয়। যত বেশি শিশু এই টিকার আওতায় আসবে, আমরা তত বেশি নিরাপদ থাকব।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, আমরাই ইতোমধ্য দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছি। টিকা দান বিষয়ক একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ কমিটি রয়েছে। আমরা প্রতিদিন সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোন কোন উপজেলা বেশি আক্রান্ত সেগুলো শনাক্ত করছি। বিশেষজ্ঞ কমিটি আমাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছে। আমাদের সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা তথ্য ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।

তিনি বলেন, আমাদের সরকার ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। আমি সরকারের পক্ষ থেকে বলতে চাই, আমাদের সরকার শিশুদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে ও দেবে। একটি শিশুও টিকার বাইরে থাকবে না। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি, ইনশাআল্লাহ ভয়ের কোনো কারণ নেই।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পদক্ষেপ নিয়েছে। যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে, আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি এবং দায়িত্ব নিয়েছি। ঘাটতিগুলো পূরণ করছি, টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, কর্মসূচি চলবে। কোনো রকম ঘাটতি আমরা রাখবো না। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, সচেতন করুন যেন সবাই টিকা নেয়। যত বেশি শিশু এই টিকার আওতায় আসবে আমরা তত বেশি নিরাপদ থাকবো।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, আমরাই ইতোমধ্যে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের সরকার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি। টিকা দান বিষয়ক একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ কমিটি রয়েছে। আমরা প্রতিদিন সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোন কোন উপজেলা বেশি আক্রান্ত সেগুলো শনাক্ত করছি। বিশেষজ্ঞ কমিটি আমাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছে। আমাদেরকে সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা তথ্য ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।

তিনি বলেন, আমাদের সরকার ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমি সরকারের পক্ষ থেকে বলতে চাই আমাদের সরকার এই শিশুদের টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে ও দিবে। একটি শিশুও টিকার বাইরে থাকবে না। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি ইনশাআল্লাহ ভয়ের কোন কারণ নেই। যারা টিকা আজকে দিচ্ছেন তারা বাড়ি গিয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের শিশুদেরকে পাঠিয়ে দিবেন টিকা নেয়ার জন্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জরুল করিম রনি, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া, পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন, জাতিসংঘের জরুরি শিশু তহবিল ইউনিসেফের প্রতিনিধিসহ বিশ্বের কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।

আবহাওয়া

গণভোটের রায় না মানলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি এনসিপির

আমরা কাজ শুরু করেছি, টিকার কোনো ঘাটতি রাখবো না : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১২:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি :  

টিকাদান কর্মসূচী চলবে এবং এতে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না বলে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, দেশের সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে পারলে আমরা নিরাপদ থাকব। আমাদের দেশের শিশুরা সুস্থ ও নিরাপদ থাকবে। আমরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ টিকার কোনো রকম ঘাটতি হবে না। টিকাদান কর্মসূচিতে বিশ্বের কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থা সহযোগিতা করছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পদক্ষেপ নিয়েছে। যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে, আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি এবং ঘাটতিগুলো পূরণ করছি। টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, কর্মসূচি চলবে।

তিনি বলেন, কোনো রকম ঘাটতি আমরা রাখব না। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, সচেতন করুন যেনো সবাই টিকা নেয়। যত বেশি শিশু এই টিকার আওতায় আসবে, আমরা তত বেশি নিরাপদ থাকব।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, আমরাই ইতোমধ্য দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছি। টিকা দান বিষয়ক একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ কমিটি রয়েছে। আমরা প্রতিদিন সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোন কোন উপজেলা বেশি আক্রান্ত সেগুলো শনাক্ত করছি। বিশেষজ্ঞ কমিটি আমাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছে। আমাদের সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা তথ্য ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।

তিনি বলেন, আমাদের সরকার ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। আমি সরকারের পক্ষ থেকে বলতে চাই, আমাদের সরকার শিশুদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে ও দেবে। একটি শিশুও টিকার বাইরে থাকবে না। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি, ইনশাআল্লাহ ভয়ের কোনো কারণ নেই।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পদক্ষেপ নিয়েছে। যে জায়গাগুলোতে ঘাটতি আছে, আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি এবং দায়িত্ব নিয়েছি। ঘাটতিগুলো পূরণ করছি, টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে, কর্মসূচি চলবে। কোনো রকম ঘাটতি আমরা রাখবো না। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন, সচেতন করুন যেন সবাই টিকা নেয়। যত বেশি শিশু এই টিকার আওতায় আসবে আমরা তত বেশি নিরাপদ থাকবো।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, আমরাই ইতোমধ্যে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের সরকার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি। টিকা দান বিষয়ক একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ কমিটি রয়েছে। আমরা প্রতিদিন সারা দেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কোন কোন উপজেলা বেশি আক্রান্ত সেগুলো শনাক্ত করছি। বিশেষজ্ঞ কমিটি আমাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছে। আমাদেরকে সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা তথ্য ও বিজ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।

তিনি বলেন, আমাদের সরকার ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। আমি সরকারের পক্ষ থেকে বলতে চাই আমাদের সরকার এই শিশুদের টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে ও দিবে। একটি শিশুও টিকার বাইরে থাকবে না। আমরা কর্মসূচি শুরু করেছি ইনশাআল্লাহ ভয়ের কোন কারণ নেই। যারা টিকা আজকে দিচ্ছেন তারা বাড়ি গিয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের শিশুদেরকে পাঠিয়ে দিবেন টিকা নেয়ার জন্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জরুল করিম রনি, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া, পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন, জাতিসংঘের জরুরি শিশু তহবিল ইউনিসেফের প্রতিনিধিসহ বিশ্বের কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।