Dhaka শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ থেকে কুয়াকাটার সব খাবার হোটেল বন্ধ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় খাবার হোটেলে বারবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতি।

মঙ্গলবার (১৬ই আগস্ট) রাত ১০টায় কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি সেলিম মুন্সি এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, প্রতিদিন নির্বাহী মাজিস্ট্রেট কতৃক খাবার হেটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কিন্তু একই হোটেলে একাধিকবার জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্টের নামে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। তাই সকল হোটেল মালিক একত্রিত হয়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সেলিম জানান, গত ১১ই আগস্ট আল-মদিনা নামের একটি হোটেলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় তখন ওই হোটেল মালিক তার সমস্যা সমাধানের জন্য ১৫দিন সময় চেয়ে নিন কিন্তু আজকে ১৬ই আগস্ট আবার ওই হোটেলেই ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হোটেল মালিক জরিমানা না দিতে পারায় তাঁকে বেশকিছুক্ষণ আটকে রাখা হয়।

সভাপতি সেলিম মুন্সি জানান, ‘খাবার হোটেল বন্ধে পর্যটকরা বড় ধরনের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসন আমাদের বিষয়টি সহজ করে দেখলে আমরা হোটেল খুলে দিব।’

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটান ও নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আজ থেকে কুয়াকাটার সব খাবার হোটেল বন্ধ

প্রকাশের সময় : ১২:২৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় খাবার হোটেলে বারবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতি।

মঙ্গলবার (১৬ই আগস্ট) রাত ১০টায় কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি সেলিম মুন্সি এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, প্রতিদিন নির্বাহী মাজিস্ট্রেট কতৃক খাবার হেটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কিন্তু একই হোটেলে একাধিকবার জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্টের নামে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। তাই সকল হোটেল মালিক একত্রিত হয়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সেলিম জানান, গত ১১ই আগস্ট আল-মদিনা নামের একটি হোটেলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় তখন ওই হোটেল মালিক তার সমস্যা সমাধানের জন্য ১৫দিন সময় চেয়ে নিন কিন্তু আজকে ১৬ই আগস্ট আবার ওই হোটেলেই ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হোটেল মালিক জরিমানা না দিতে পারায় তাঁকে বেশকিছুক্ষণ আটকে রাখা হয়।

সভাপতি সেলিম মুন্সি জানান, ‘খাবার হোটেল বন্ধে পর্যটকরা বড় ধরনের সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসন আমাদের বিষয়টি সহজ করে দেখলে আমরা হোটেল খুলে দিব।’