Dhaka শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে চারটা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ছয়টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে যে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, তা মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে বন্ধ হবে; যা শুক্রবার (৩ এপ্রিল) থেকেই কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আজকের বৈঠকটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন এবং যাতায়াতের সময় বাঁচাতে ও যানজট এড়াতে এখানেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে উল্লেখ করে নাসিমুল গনি বলেন, ‘আজকে মূলত আলোচনাটা হয়েছে, আমরা কিভাবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে যেখানে আমাদের সাপ্লাই লাইনটা ইনসিকিউর হয়ে গেছে, সেটাকে মোকাবেলার জন্য আমরা কি কি ব্যবস্থা নিতে পারব। এর মধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার মধ্যে একটা আছে, বাণিজ্যিক অফিসগুলো আমরা কমিয়ে নিয়ে আসতেছি এক ঘন্টা করে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস চলবে। এটা সরকারি-বেসরকারি সকল অফিস ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত চলবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘শিক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন জায়গায় যে চাহিদা আছে, বিভিন্ন পর্যায়ে সেটা বিবেচনা করে নিয়ে রোববার থেকে কিছু আলাদা নির্দেশনা দেওয়া শুরু করবে। এছাড়া সরকারি কিছু ব্যয় রাস কমানো হচ্ছে আগামী তিন মাস পর্যন্ত। সরকারি কোন নতুন যানবহন ক্রয় করা হবে না। কোন জলজান ক্রয় করা হবে না। কোন আকাশযান ক্রয় করা হবে না। কোন কম্পিউটার সামগ্রী ক্রয় করা হবে না। এছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ যেগুলো আছে সেগুলো ৫০ শতাংশ বন্ধ করা হয়েছে। কোন আদেশ না পর্যন্ত সরকারি অর্থায়নের সকল বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সভা সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এই খাতে আমাদের যে ব্যয়টা হতো সরকার সেটা আরো ৩০ শতাংশ কমানো আজকে এফেক্টিভ হয়ে গেলে। তারপর ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ভ্রমণ প্রয়োজন নেই, সেগুলো কমাতে বলা হয়েছে। এখানে আমরা ৩০ শতাংশ হ্রাস করে দিচ্ছি । এই সমস্ত সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

বাজার ও বিপণিবিতান:

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৬টার পর দেশের সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এবং খাবারের দোকানের মতো জরুরি সেবাগুলো এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। এটি কঠোরভাবে মনিটর করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন:

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পৃথক নির্দেশনা দেবে, যা আগামী রোববার থেকে কার্যকর হতে পারে। এছাড়া স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমাতে এবং যানজট নিরসনে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ‘ইলেকট্রিক বাস’ আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। যে সব স্কুল এই উদ্যোগে অংশ নেবে তারা বিশেষ সুবিধা পাবে। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে কোনো পুরোনো বাস আনা যাবে না।

ব্যয় সংকোচন ও কৃচ্ছ্রসাধন:

সরকারের জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস পর্যন্ত সরকারি কোনো নতুন গাড়ি (সড়ক, নৌ বা আকাশযান) এবং কম্পিউটার সামগ্রী কেনা যাবে না। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের সব বিদেশ ভ্রমণ এবং অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ৫০ শতাংশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন খরচও ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা:

জ্বালানি সংকটের এই সময়ে কোনো ধরনের বেসরকারি বিয়ে বা উৎসব-অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আইন সংশোধন:

বৈঠকে ‘পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট’ এর খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। ১৯৮০ সালের এই আইনটি সংশোধন করে পাবলিক পরীক্ষায় অপরাধের বিচার আরও কঠোর করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহ:

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহ লাইন কিছুটা ইনসিকিউর হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎসের সন্ধান করছে। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সচিব জানান।

তিনি বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়। রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে এই বৈঠক। পরে সেখানে ব্রিফিংয়ে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আবহাওয়া

অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে চারটা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ছয়টায়

অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে চারটা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ছয়টায়

প্রকাশের সময় : ০২:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে যে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, তা মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে বন্ধ হবে; যা শুক্রবার (৩ এপ্রিল) থেকেই কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আজকের বৈঠকটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন এবং যাতায়াতের সময় বাঁচাতে ও যানজট এড়াতে এখানেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে উল্লেখ করে নাসিমুল গনি বলেন, ‘আজকে মূলত আলোচনাটা হয়েছে, আমরা কিভাবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে যেখানে আমাদের সাপ্লাই লাইনটা ইনসিকিউর হয়ে গেছে, সেটাকে মোকাবেলার জন্য আমরা কি কি ব্যবস্থা নিতে পারব। এর মধ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। তার মধ্যে একটা আছে, বাণিজ্যিক অফিসগুলো আমরা কমিয়ে নিয়ে আসতেছি এক ঘন্টা করে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস চলবে। এটা সরকারি-বেসরকারি সকল অফিস ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত চলবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘শিক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন জায়গায় যে চাহিদা আছে, বিভিন্ন পর্যায়ে সেটা বিবেচনা করে নিয়ে রোববার থেকে কিছু আলাদা নির্দেশনা দেওয়া শুরু করবে। এছাড়া সরকারি কিছু ব্যয় রাস কমানো হচ্ছে আগামী তিন মাস পর্যন্ত। সরকারি কোন নতুন যানবহন ক্রয় করা হবে না। কোন জলজান ক্রয় করা হবে না। কোন আকাশযান ক্রয় করা হবে না। কোন কম্পিউটার সামগ্রী ক্রয় করা হবে না। এছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ যেগুলো আছে সেগুলো ৫০ শতাংশ বন্ধ করা হয়েছে। কোন আদেশ না পর্যন্ত সরকারি অর্থায়নের সকল বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সভা সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস এই খাতে আমাদের যে ব্যয়টা হতো সরকার সেটা আরো ৩০ শতাংশ কমানো আজকে এফেক্টিভ হয়ে গেলে। তারপর ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ভ্রমণ প্রয়োজন নেই, সেগুলো কমাতে বলা হয়েছে। এখানে আমরা ৩০ শতাংশ হ্রাস করে দিচ্ছি । এই সমস্ত সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

বাজার ও বিপণিবিতান:

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৬টার পর দেশের সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান এবং খাবারের দোকানের মতো জরুরি সেবাগুলো এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। এটি কঠোরভাবে মনিটর করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন:

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পৃথক নির্দেশনা দেবে, যা আগামী রোববার থেকে কার্যকর হতে পারে। এছাড়া স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমাতে এবং যানজট নিরসনে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ‘ইলেকট্রিক বাস’ আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। যে সব স্কুল এই উদ্যোগে অংশ নেবে তারা বিশেষ সুবিধা পাবে। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। তবে কোনো পুরোনো বাস আনা যাবে না।

ব্যয় সংকোচন ও কৃচ্ছ্রসাধন:

সরকারের জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস পর্যন্ত সরকারি কোনো নতুন গাড়ি (সড়ক, নৌ বা আকাশযান) এবং কম্পিউটার সামগ্রী কেনা যাবে না। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের সব বিদেশ ভ্রমণ এবং অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ৫০ শতাংশ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন খরচও ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা:

জ্বালানি সংকটের এই সময়ে কোনো ধরনের বেসরকারি বিয়ে বা উৎসব-অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আইন সংশোধন:

বৈঠকে ‘পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট’ এর খসড়া অনুমোদিত হয়েছে। ১৯৮০ সালের এই আইনটি সংশোধন করে পাবলিক পরীক্ষায় অপরাধের বিচার আরও কঠোর করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহ:

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহ লাইন কিছুটা ইনসিকিউর হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎসের সন্ধান করছে। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সচিব জানান।

তিনি বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখছে এবং এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়। রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে এই বৈঠক। পরে সেখানে ব্রিফিংয়ে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।