টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে নারীকে হত্যা

জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি :

জয়পুরহাটে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে নুরুন্নাহার বেগম (৪৮) নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর ভাতিজি খাতিজা খাতুন (১৬) গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে সদর উপজেলার চিরলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরুন্নাহার বেগম সদর উপজেলার চিরলা গ্রামের গফুর মন্ডলের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, স্বামী পরিত্যক্তা নুরুন্নাহার বেগম তার ভাতিজিকে নিয়ে প্রতিদিনের মতো নিজ স্বয়ন কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাদের টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে নুরুন্নাহার মারা যান। আর তার ভাতিজি খাতিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জয়পুরহাট সদর থানার ওসি নাজমুল কাদের বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি প্রেম বা পরকীয়াঘটিত কোনো হত্যাকাণ্ড। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে হত্যার আসল রহস্য জানা যাবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ঢাকা-সিলেট রুটে আসছে বিরতিহীন ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’

টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে নারীকে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০১:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি :

জয়পুরহাটে টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে পিটিয়ে নুরুন্নাহার বেগম (৪৮) নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর ভাতিজি খাতিজা খাতুন (১৬) গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে সদর উপজেলার চিরলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরুন্নাহার বেগম সদর উপজেলার চিরলা গ্রামের গফুর মন্ডলের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, স্বামী পরিত্যক্তা নুরুন্নাহার বেগম তার ভাতিজিকে নিয়ে প্রতিদিনের মতো নিজ স্বয়ন কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাদের টিউবওয়েলের হাতল দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে নুরুন্নাহার মারা যান। আর তার ভাতিজি খাতিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জয়পুরহাট সদর থানার ওসি নাজমুল কাদের বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি প্রেম বা পরকীয়াঘটিত কোনো হত্যাকাণ্ড। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত করে হত্যার আসল রহস্য জানা যাবে।