Dhaka শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একাধিক পদে একজন থাকলে সে ফ্যাসিস্ট হবেই : বদিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক :

একই ব্যক্তি দল ও সরকারপ্রধান হলে ফ্যাসিস্ট হবেই বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে দৈনিক বণিক বার্তার উদ্যোগে ব্যবসা, বিনিয়োগ ও সমষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, একজন ব্যক্তি দল ও সরকার- উভয়টির প্রধানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না; কমপক্ষে এই সংস্কারটি জরুরি। কারণ, একাধিক ক্ষমতাধর পদে একই ব্যক্তি থাকলে স্বৈরাচারী প্রবণতা তৈরি হয়। তখন শেখ হাসিনার মতো আরও স্বৈরশাসকের উদ্ভব দেখা দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম বড় বাধা হলো অস্বচ্ছ নির্বাচনী পরিবেশ। এটিকে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন করা জরুরি। পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও গুরুতর দুর্বৃত্তায়ন দেখা দিয়েছে; এটি দূর করতে না পারলে সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনে ‘টাকার খেলা’ বন্ধ করতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় আরও বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে এবং তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের তথ্যও যাচাইয়ের আওতায় আনা প্রয়োজন। কোনো অপরাধীকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখা যাবে না। এ সময় তিনি সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।

আবহাওয়া

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী

একাধিক পদে একজন থাকলে সে ফ্যাসিস্ট হবেই : বদিউল আলম

প্রকাশের সময় : ০৭:০৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

একই ব্যক্তি দল ও সরকারপ্রধান হলে ফ্যাসিস্ট হবেই বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে দৈনিক বণিক বার্তার উদ্যোগে ব্যবসা, বিনিয়োগ ও সমষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, একজন ব্যক্তি দল ও সরকার- উভয়টির প্রধানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না; কমপক্ষে এই সংস্কারটি জরুরি। কারণ, একাধিক ক্ষমতাধর পদে একই ব্যক্তি থাকলে স্বৈরাচারী প্রবণতা তৈরি হয়। তখন শেখ হাসিনার মতো আরও স্বৈরশাসকের উদ্ভব দেখা দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম বড় বাধা হলো অস্বচ্ছ নির্বাচনী পরিবেশ। এটিকে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন করা জরুরি। পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনেও গুরুতর দুর্বৃত্তায়ন দেখা দিয়েছে; এটি দূর করতে না পারলে সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনে ‘টাকার খেলা’ বন্ধ করতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় আরও বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে এবং তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। নির্বাচনী ব্যয়ের তথ্যও যাচাইয়ের আওতায় আনা প্রয়োজন। কোনো অপরাধীকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাখা যাবে না। এ সময় তিনি সামগ্রিকভাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।