Dhaka রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সময়ের আগেই ছাড়লো ট্রেন, হাত হারালেন নারী যাত্রী

পাবনা জেলা প্রতিনিধি : 

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন এক নারীযাত্রী।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বড়াল ব্রিজ রেলস্টেশনে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছেড়ে যাওয়া ধূমকেতু এক্সপ্রেস থেকে নামতে গিয়ে ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে হাত হারালেন সুফিয়া বেগম নামে এক গৃহবধূ।

দুর্ঘটনার শিকার যাত্রীর নাম সুফিয়া বেগম (৩০)। তিনি ফরিদপুরের বেরহলিয়া গ্রামের সেনাসদস্য মাসুদ রানার স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ট্রেনটি প্রায় আধঘণ্টা দেরিতে পৌঁছলেও স্টেশনে মাত্র কয়েক মুহূর্ত থেমে যাত্রী ওঠানামা শেষ হওয়ার আগেই গন্তব্যের দিকে ছুটে যায়। ঠিক সেই সময় নামতে গিয়ে ট্রেনের নিচে পড়ে হাত হারান সুফিয়া বেগম। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত অন্যত্র প্রেরণ করেন চিকিৎসকরা।

এ ঘটনায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সময় না মেনে ট্রেন ছেড়ে দেওয়া এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে রেলের উদাসীনতাই এ দুর্ঘটনার মূল কারণ।

অভিযোগের মুখে স্টেশনমাস্টার আল মামুন দায় এড়িয়ে বলেন, স্টেশনে কোনো সিগন্যাল নেই। ট্রেন কখন ছাড়বে সেটা চালকের বিষয়। আমি তখন টিকিট বিক্রি করছিলাম।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

প্রধান উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

সময়ের আগেই ছাড়লো ট্রেন, হাত হারালেন নারী যাত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

পাবনা জেলা প্রতিনিধি : 

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতায় ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন এক নারীযাত্রী।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বড়াল ব্রিজ রেলস্টেশনে নির্ধারিত সময়ের আগেই ছেড়ে যাওয়া ধূমকেতু এক্সপ্রেস থেকে নামতে গিয়ে ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে হাত হারালেন সুফিয়া বেগম নামে এক গৃহবধূ।

দুর্ঘটনার শিকার যাত্রীর নাম সুফিয়া বেগম (৩০)। তিনি ফরিদপুরের বেরহলিয়া গ্রামের সেনাসদস্য মাসুদ রানার স্ত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ট্রেনটি প্রায় আধঘণ্টা দেরিতে পৌঁছলেও স্টেশনে মাত্র কয়েক মুহূর্ত থেমে যাত্রী ওঠানামা শেষ হওয়ার আগেই গন্তব্যের দিকে ছুটে যায়। ঠিক সেই সময় নামতে গিয়ে ট্রেনের নিচে পড়ে হাত হারান সুফিয়া বেগম। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত অন্যত্র প্রেরণ করেন চিকিৎসকরা।

এ ঘটনায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সময় না মেনে ট্রেন ছেড়ে দেওয়া এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে রেলের উদাসীনতাই এ দুর্ঘটনার মূল কারণ।

অভিযোগের মুখে স্টেশনমাস্টার আল মামুন দায় এড়িয়ে বলেন, স্টেশনে কোনো সিগন্যাল নেই। ট্রেন কখন ছাড়বে সেটা চালকের বিষয়। আমি তখন টিকিট বিক্রি করছিলাম।