Dhaka মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডোর চায় মেঘালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও দেশটির অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে ভৌগলিক দূরত্ব কমাতে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডোর চেয়েছেন মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাঙমা।

শুক্রবার (৭ মার্চ) রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে হিলি এবং মহেন্দ্রগঞ্জের মধ্যে একটি সংযোগ করিডোর নির্মাণ করা হয়, তাহলে মেঘালয়, আসামের বরাক উপত্যকা এবং ত্রিপুরার সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ৬০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার কমে যাবে।

তিনি বলেন, এটি হবে একটি বিকল্প অর্থনৈতিক করিডর। তবে কবে নাগাদ এটি হতে পারে, তা বলা একটু কঠিন। কারণ, এর সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারও যুক্ত। বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের আগে এ ইস্যুতে ঢাকার সঙ্গে মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক করেছিল নয়াদিল্লি। আমরা এ ইস্যুটি পুনরুজ্জীবিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাব।

তিনি আরও বলেন, করিডোরটি নির্মাণ করা গেলে মহেন্দ্রগঞ্জের পাশাপাশি মেঘালয়ের তুরা, বাঘমারা, ডালু এবং ডাউকি জেলার সঙ্গও পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ স্থাপন সম্ভব হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড প্রস্তাবিত এই করিডোরটির দৈর্ঘ্য হবে ১০০ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি। এটি মেঘালয়ের মহেন্দ্রগঞ্জের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বন্দরশহর হিলিকে সংযুক্ত করবে। মহেন্দ্রগঞ্জ ও হিলি- দুই শহরেরই সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে : প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডোর চায় মেঘালয়

প্রকাশের সময় : ০২:০০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও দেশটির অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে ভৌগলিক দূরত্ব কমাতে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডোর চেয়েছেন মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাঙমা।

শুক্রবার (৭ মার্চ) রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে হিলি এবং মহেন্দ্রগঞ্জের মধ্যে একটি সংযোগ করিডোর নির্মাণ করা হয়, তাহলে মেঘালয়, আসামের বরাক উপত্যকা এবং ত্রিপুরার সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ৬০০ থেকে ৭০০ কিলোমিটার কমে যাবে।

তিনি বলেন, এটি হবে একটি বিকল্প অর্থনৈতিক করিডর। তবে কবে নাগাদ এটি হতে পারে, তা বলা একটু কঠিন। কারণ, এর সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারও যুক্ত। বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের আগে এ ইস্যুতে ঢাকার সঙ্গে মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক করেছিল নয়াদিল্লি। আমরা এ ইস্যুটি পুনরুজ্জীবিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাব।

তিনি আরও বলেন, করিডোরটি নির্মাণ করা গেলে মহেন্দ্রগঞ্জের পাশাপাশি মেঘালয়ের তুরা, বাঘমারা, ডালু এবং ডাউকি জেলার সঙ্গও পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ স্থাপন সম্ভব হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড প্রস্তাবিত এই করিডোরটির দৈর্ঘ্য হবে ১০০ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি। এটি মেঘালয়ের মহেন্দ্রগঞ্জের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বন্দরশহর হিলিকে সংযুক্ত করবে। মহেন্দ্রগঞ্জ ও হিলি- দুই শহরেরই সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।