Dhaka শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি অর্থের অপচয় কমাতে হবে : অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সরকারের এই মুহূর্তে অর্থের প্রয়োজন। তাই সরকারি অর্থের অপচয় কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাকসেশন) অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অর্থ আইন, ২০২৪- এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রে আনীত পরিবর্তনগুলোর ওপর আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন বলেন, বিদেশি ঋণে ঝুঁকে না পড়ে নিজস্ব উৎস থেকে অর্থের সংস্থান করতে জোর দিতে হবে। সরকারের এই মুহূর্তে অর্থের প্রয়োজন আছে। এজন্য সরকারি অর্থের অপচয় কমাতে হবে।

কর কর্মকতাদের প্রতি অর্থ উপদেষ্টা বলেন, করদাতাদের মনে যেন ভীতি তৈরি না হয়। তাদের প্রতি ন্যায়বিচার করবেন।

কর কাঠামোতে বৈষম্য থাকা যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের জন্য না হলেও দেশের স্বার্থে সবাইকে কর দিতে হবে। কর কাঠামোতে বৈষম্য থাকা যাবে না।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা। আর এজন্য দরকার রাজস্ব বোর্ডর কর আদায়ের একটা লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করা।

তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ খুব একটা পাওয়া যাবে না। অভ্যন্তরীণ রাজস্বের ওপর নির্ভর করতে হবে। তাই রাজস্ব আদায়ে দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে। প্রত্যক্ষ করে ফাঁকি দেয়া যায় না। কিন্তু আমাদের পরোক্ষ করে ঝামেলা আছে। কষ্ট দিয়ে কারও কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করবেন না।

আর এনবিআরের আইনগুলোকে ব্যবসাবান্ধব করার ঘোষণা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেন, সবাইকে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের অনুরোধ করছি। জণগণের কাঁধে ঋণের বোঝা চাপছে, অথচ এনবিআর কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। এখান থেকে বের হতে হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান আরও বলেন, করদাতাদের দেয়া রাজস্ব বিভিন্ন ভাবে অপচয় হয় এমন কথা প্রচলিত আছে। এখান থেকে বের হতে হবে এনবিআরকে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সরকারি অর্থের অপচয় কমাতে হবে : অর্থ উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০১:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সরকারের এই মুহূর্তে অর্থের প্রয়োজন। তাই সরকারি অর্থের অপচয় কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাকসেশন) অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অর্থ আইন, ২০২৪- এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রে আনীত পরিবর্তনগুলোর ওপর আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন বলেন, বিদেশি ঋণে ঝুঁকে না পড়ে নিজস্ব উৎস থেকে অর্থের সংস্থান করতে জোর দিতে হবে। সরকারের এই মুহূর্তে অর্থের প্রয়োজন আছে। এজন্য সরকারি অর্থের অপচয় কমাতে হবে।

কর কর্মকতাদের প্রতি অর্থ উপদেষ্টা বলেন, করদাতাদের মনে যেন ভীতি তৈরি না হয়। তাদের প্রতি ন্যায়বিচার করবেন।

কর কাঠামোতে বৈষম্য থাকা যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের জন্য না হলেও দেশের স্বার্থে সবাইকে কর দিতে হবে। কর কাঠামোতে বৈষম্য থাকা যাবে না।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বর্তমানে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা। আর এজন্য দরকার রাজস্ব বোর্ডর কর আদায়ের একটা লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করা।

তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ খুব একটা পাওয়া যাবে না। অভ্যন্তরীণ রাজস্বের ওপর নির্ভর করতে হবে। তাই রাজস্ব আদায়ে দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে। প্রত্যক্ষ করে ফাঁকি দেয়া যায় না। কিন্তু আমাদের পরোক্ষ করে ঝামেলা আছে। কষ্ট দিয়ে কারও কাছ থেকে রাজস্ব আদায় করবেন না।

আর এনবিআরের আইনগুলোকে ব্যবসাবান্ধব করার ঘোষণা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেন, সবাইকে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের অনুরোধ করছি। জণগণের কাঁধে ঋণের বোঝা চাপছে, অথচ এনবিআর কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। এখান থেকে বের হতে হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান আরও বলেন, করদাতাদের দেয়া রাজস্ব বিভিন্ন ভাবে অপচয় হয় এমন কথা প্রচলিত আছে। এখান থেকে বের হতে হবে এনবিআরকে।