Dhaka রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাগরিকের বিচার পাওয়ার পথ সুগম হলেই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে: প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সকল নাগরিকের বিচার পাওয়ার পথ সুগম হলেই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

মঙ্গলবার (৭ মে) বিকালে সুপ্রিমকোর্ট অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের আইনবিষয়ক অনুষ্ঠান প্রমাণিত-অপ্রমাণিত আইনের সহজ পাঠের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশে ২ হাজার বিচারকের বিপরীতে ৪০ লাখ মামলা বিচারাধীন আছে। আইনের মাধ্যমে সুবিচার পেতে জনগণের জন্য অনেকগুলো পদক্ষেপও নিয়েছে সরকার। তবে সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠান, মানুষকে কোর্ট সম্পর্কে ধারনা দেবে। আইনি প্রতিকার সস্পর্কে সচেতন করে তুলবে।

ওবায়দুল হাসান বলেন, আইনি সচেতনতা না থাকায় আদালতে অনেক অপ্রয়োজনীয় মামলার স্তূপ পড়ে আছে। সচেতনতা থাকলে মীমাংসার মাধ্যমেই অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতো।

প্রধান বিচারপতি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে সংবিধান ও প্রচলিত আইনের বিধানগুলো জানতে হবে। নাগরিকদের ন্যায়বিচার পাওয়া নিশ্চিত না করা পর্যন্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ব্যক্তিকে নয় : ইসি মাছউদ

নাগরিকের বিচার পাওয়ার পথ সুগম হলেই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সকল নাগরিকের বিচার পাওয়ার পথ সুগম হলেই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

মঙ্গলবার (৭ মে) বিকালে সুপ্রিমকোর্ট অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের আইনবিষয়ক অনুষ্ঠান প্রমাণিত-অপ্রমাণিত আইনের সহজ পাঠের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশে ২ হাজার বিচারকের বিপরীতে ৪০ লাখ মামলা বিচারাধীন আছে। আইনের মাধ্যমে সুবিচার পেতে জনগণের জন্য অনেকগুলো পদক্ষেপও নিয়েছে সরকার। তবে সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠান, মানুষকে কোর্ট সম্পর্কে ধারনা দেবে। আইনি প্রতিকার সস্পর্কে সচেতন করে তুলবে।

ওবায়দুল হাসান বলেন, আইনি সচেতনতা না থাকায় আদালতে অনেক অপ্রয়োজনীয় মামলার স্তূপ পড়ে আছে। সচেতনতা থাকলে মীমাংসার মাধ্যমেই অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতো।

প্রধান বিচারপতি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে সংবিধান ও প্রচলিত আইনের বিধানগুলো জানতে হবে। নাগরিকদের ন্যায়বিচার পাওয়া নিশ্চিত না করা পর্যন্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না।