স্পোর্টস ডেস্ক :
কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ন্যাশভিলের বিপক্ষে ম্যাচটি ড্র করেছিল ইন্টার মিয়ামি। ২-২ গোলে ড্র হওয়া সেই ম্যাচে গোলের দেখা পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি এবং লুইস সুয়ারেজ দুজনেই।
ফিরতি লেগের খেলায় বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) ন্যাশভিলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে গোলের দেখা পেয়েছেন এ দুই তারকা। সেই সাথে মিয়ামিও ম্যাচটি জিতেছে ৩-১ গোলের ব্যবধানে। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ আট নিশ্চিত করেছে মেসির দল।
সর্বশেষ মৌসুমে মায়ামি লিগস কাপ জেতায় সরাসরি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলার সুযোগ পেয়েছে দলটি। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তারা।
ন্যাশভিলের মাঠে প্রথম লেগে ২-২ গোলে সমতায় ম্যাচ শেষ করেছিল মায়ামি। সেদিন ২ গোলে পিছিয়ে থেকে পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে মায়ামি। প্রত্যাবর্তনের কারিগর ছিলেন ভ্রাতৃপ্রতিম বন্ধু মেসি ও লুইস সুয়ারেজ। সেদিনের দুই নায়ক আজও গোল পেয়েছেন। তাঁদের গোলেই আজ প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় মায়ামি।
ম্যাচের ৮ মিনিটে মায়ামির প্রথম গোলটি আসে সুয়ারেজের কাছ থেকে। ন্যাশভিলের ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে অনেকটা এগিয়ে যান সুয়ারেজ। আর সঙ্গে ছিল মেসির নিখুঁত থ্রু বল। গোলরক্ষকের দুই পায়ের মধ্য দিয়ে সুয়ারেজের শট চলে যায় জালে। এর আগে মেসি নিজে চেষ্টা করেছেন। ফ্রিকিকও পেয়েছেন। তবে মায়ামির গোলের খাতা খুলেছে সুয়ারেজের কল্যাণে।
২৩ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের বাঁকানো এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অষ্টম ব্যালন ডি অর জয়ী। গোলের আগে অবশ্য তাঁকে দুর্দান্ত এক পাস দেন দিয়াগো গোমেজ। এ নিয়ে টানা ৪ ম্যাচে গোল পেলেন মেসি। মায়ামির হয়ে ৫ ম্যাচে মেসির গোল ৫টি, করিয়েছেন আরও ৪টি। আর সহায়তা করেছেন দুটিতে। তবে বিরতির পরেই ‘এলএম টেনকে’ তুলে নেন কোচ জেরার্দো মার্তিনো।
৫০ মিনিটের সময় তাঁকে কেন তুলে নেওয়া হয়েছে তাতে জানা যায়নি। মেসিকে তুলে নেওয়া হলেও মায়ামির গোল করা বন্ধ হয়নি। তাঁরই বদলি নাম রবার্ট টেলর ৬৩ মিনিটে হেড থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন।
ম্যাচে ফেরার চেষ্টায় থাকা ন্যাশভিল শেষ দিকে শুধু ব্যবধানটাই কমাতে পারে। যোগ করা সময়ের ৯৩ মিনিটে ব্যবধান কমান স্যাম সারিডজ। এ জয়ে শেষ আটে মায়ামির প্রতিপক্ষ হবে মনেটেরি ও সিনসিনাটির মধ্যেকার ম্যাচে যে দল জিতবে সেই দল। ম্যাচটি আগামী ২ এপ্রিল হবে।