Dhaka শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৈঠকে শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৯৯ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে সাক্ষাৎ হলেও সেবার শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়নি। আর বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এটিই শেষ আনুষ্ঠানিক বৈঠক হতে যাওয়ায়, বৈঠকটিকে খুব গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নিতে বাসভবনের দরজার সামনে এসে দাঁড়ান মোদি। এরপর সেখানে গাড়িতে করে আসেন শেখ হাসিনা। গাড়ি থেকে নামার পর তাকে সঙ্গে করে লাল গালিচায় হেঁটে বাসভবনের ভেতরে যান মোদি। এই সময় দুই নেতাকেই হাস্যজ্জল দেখা যায়।

ভিডিওটির শেষ দিকে দেখা যায়, মোদির সঙ্গে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা তাদের পাশে বসা ছিলেন। আলোচনার সময়ও তাদের প্রাণচঞ্চল দেখা যায়।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে রওনা হন তিনি। নয়াদিল্লিতে ৯-১০ সেপ্টেম্বর জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে এই সফর।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর এ সফর নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানান, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠকে কানেকটিভিটি, তিস্তার পানি বণ্টন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। বৈঠকে কৃষি গবেষণা খাতে সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও দুই দেশের নাগরিকদের লেনদেন সহজীকরণে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হবে।

এদিকে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সরকারপ্রধানের এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বৈঠককে খবুই গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেন।

বাংলাদেশে এক সময়ের ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রিংলা বলেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, আমরা বাংলাদেশকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

শ্রিংলা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে (নয়া দিল্লি) আছেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমদিকেই একটি বৈঠক করছেন। আমি মনে করি এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক।

প্রসঙ্গত, ভারতে হতে যাওয়া এবারের জি-২০ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ৯টি দেশকে অতিথি রাষ্ট্র হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটি। বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশগুলো হচ্ছে—মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিংগাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ভারতের মধ্যে বিদ্যমান নানা সম্পর্কের ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পরিবেশের টেকসই উন্নয়নে অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা

বৈঠকে শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে সাক্ষাৎ হলেও সেবার শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়নি। আর বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এটিই শেষ আনুষ্ঠানিক বৈঠক হতে যাওয়ায়, বৈঠকটিকে খুব গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নিতে বাসভবনের দরজার সামনে এসে দাঁড়ান মোদি। এরপর সেখানে গাড়িতে করে আসেন শেখ হাসিনা। গাড়ি থেকে নামার পর তাকে সঙ্গে করে লাল গালিচায় হেঁটে বাসভবনের ভেতরে যান মোদি। এই সময় দুই নেতাকেই হাস্যজ্জল দেখা যায়।

ভিডিওটির শেষ দিকে দেখা যায়, মোদির সঙ্গে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধিরা তাদের পাশে বসা ছিলেন। আলোচনার সময়ও তাদের প্রাণচঞ্চল দেখা যায়।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে রওনা হন তিনি। নয়াদিল্লিতে ৯-১০ সেপ্টেম্বর জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে এই সফর।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর এ সফর নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানান, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠকে কানেকটিভিটি, তিস্তার পানি বণ্টন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। বৈঠকে কৃষি গবেষণা খাতে সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও দুই দেশের নাগরিকদের লেনদেন সহজীকরণে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হবে।

এদিকে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সরকারপ্রধানের এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বৈঠককে খবুই গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেন।

বাংলাদেশে এক সময়ের ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রিংলা বলেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ যে, আমরা বাংলাদেশকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।

শ্রিংলা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে (নয়া দিল্লি) আছেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমদিকেই একটি বৈঠক করছেন। আমি মনে করি এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক।

প্রসঙ্গত, ভারতে হতে যাওয়া এবারের জি-২০ সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ৯টি দেশকে অতিথি রাষ্ট্র হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটি। বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশগুলো হচ্ছে—মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিংগাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ভারতের মধ্যে বিদ্যমান নানা সম্পর্কের ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সম্মেলনে আমন্ত্রণ পেয়েছে।