Dhaka শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রেস্ট ক্যানসারে মারা গেলেন অভিনেত্রী ইভান্স

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩
  • ২৮২ জন দেখেছেন

বিনোদন ডেস্ক : 

মারা গেছেন প্রখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী আন্দ্রেয়া ইভান্স। রোববার (৯ জুলাই) ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডোনায় অবস্থিত নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসকে ইভান্স ম্যানেজার নিক বলেন, ‘ব্রেস্ট ক্যানসারে মারা গেছেন আন্দ্রেয়া। আমি গত সাত বছর ধরে ইভান্সের সঙ্গে কাজ করছি। তার মাঝে অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে এবং তার সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার জন্য পরম আনন্দের।

ইভান্স ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ এবং তারপর ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এবিসি’র ‘ওয়ান লাইফ টু লাইভ’-এ টিনা লর্ডের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খ্যাতি লাভ করেছিলেন। সিরিজটিতে লর্ডের চরিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে এমি মনোনয়ন পেয়েছিলেন অভিনেত্রী।

১৯৯০ সালে অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন এই ইভান্স। তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল। এরপর চার বছর জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে ছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে সংবাদমাধ্যম পিপলের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে তিনি বলেছিলেন, এই হুমকি আমাকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।

বিরতির পর ইভান্স ‘এ লো ডাউন ডার্টি শেম’ ও ‘আইসক্রিমম্যান’ সিনেমায় ডে টাইম প্রোগ্রামিংয়ে ফিরে আসেন। ২০১০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ‘দ্য বোল্ড অ্যান্ড দ্য বিউটিফুল’-এ মুরের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

আবহাওয়া

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর সুষ্ঠু বিচার পাবেন, আশাবাদী রামিসার বাবা

ব্রেস্ট ক্যানসারে মারা গেলেন অভিনেত্রী ইভান্স

প্রকাশের সময় : ০৪:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩

বিনোদন ডেস্ক : 

মারা গেছেন প্রখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী আন্দ্রেয়া ইভান্স। রোববার (৯ জুলাই) ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডোনায় অবস্থিত নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসকে ইভান্স ম্যানেজার নিক বলেন, ‘ব্রেস্ট ক্যানসারে মারা গেছেন আন্দ্রেয়া। আমি গত সাত বছর ধরে ইভান্সের সঙ্গে কাজ করছি। তার মাঝে অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে এবং তার সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার জন্য পরম আনন্দের।

ইভান্স ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ এবং তারপর ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এবিসি’র ‘ওয়ান লাইফ টু লাইভ’-এ টিনা লর্ডের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খ্যাতি লাভ করেছিলেন। সিরিজটিতে লর্ডের চরিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে এমি মনোনয়ন পেয়েছিলেন অভিনেত্রী।

১৯৯০ সালে অভিনয় ছেড়ে দিয়েছিলেন এই ইভান্স। তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল। এরপর চার বছর জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে ছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে সংবাদমাধ্যম পিপলের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে তিনি বলেছিলেন, এই হুমকি আমাকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।

বিরতির পর ইভান্স ‘এ লো ডাউন ডার্টি শেম’ ও ‘আইসক্রিমম্যান’ সিনেমায় ডে টাইম প্রোগ্রামিংয়ে ফিরে আসেন। ২০১০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ‘দ্য বোল্ড অ্যান্ড দ্য বিউটিফুল’-এ মুরের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।