চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ (শনিবার) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে বাগান মালিকদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামীকাল থেকে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেবার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস গণভবন গেটে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব জানান, চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে চা শ্রমিকেরা অন্যান্য যেসব সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন সেগুলোও আনুপাতিক হারে বাড়ানো হবে। প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিকদের কাজে যোগদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শিগগিরই শ্রমিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর আজকের সিদ্ধান্তের আশায় বুক বাঁধছেন চা-শ্রমিকরা। চা শ্রমিকদের প্রত্যাশা ছিল, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টির একটি সুন্দর সমাধান দেবেন, যাতে কাজে ফিরতে পারবেন সব শ্রমিক।
এর আগে চা শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বাগান মালিকদের বৈঠক শেষ হয়। আজ শনিবার (২৭শে আগস্ট) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বৈঠক শুরু হয়। সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় শেষ হয়েছে বৈঠক। এতে ১৩ জন চা-বাগান মালিক উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা করার দাবিতে টানা ১৯ দিন ধরে কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করছেন মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলার ২৪১টি চা বাগানের শ্রমিকরা।
প্রতিনিধির নাম 
























