ইসরায়েলকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না ওমান

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অগাস্ট ২০২২
  • ৩১৩ জন দেখেছেন

ইরানের চাপের কারণে ইসরায়েলি বাণিজ্যিক বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না ওমান। উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলেও ওমান বিপরীতমুখী অবস্থান নিলো। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।

ইসরায়েল হায়ম পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমান তার আকাশসীমা ইসরায়েলি ফ্লাইটের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা এল আল’র প্রধান নির্বাহী দিনা বেন-তাল এক সপ্তাহ আগে বলেছিলেন, ওমানের আকাশসীমা ব্যবহারের জন্য মাস্কাটের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাবে তেল আবিব।

এর আগে ভারত ও থাইল্যান্ডের মতো গন্তব্যে যেতে দিতে ইসরায়েলি ফ্লাইটগুলোকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয় সৌদি আরব। এরপর ওমানও এ ধরনের অনুমতি দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। ওই সময় বেন-তাল বলেছিলেন, এটি শুধু সৌদি আরব নয়। আমাদের সম্পূর্ণ রুটের অনুমোদন প্রয়োজন।

যদিও এ ধরনের রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি ওমান বা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। ওমান যদি ইসরায়েলকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয় তাহলে ইসরায়েলি বিমানগুলোর সময় ও জ্বালানি বাঁচবে। কিন্তু ওমানের অনুমতি না পাওয়ায় লোহিত সাগরের ওপর দিয়েই যেতে হবে ইসরায়েলি বিমানগুলোকে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে : বিমানমন্ত্রী

ইসরায়েলকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না ওমান

প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অগাস্ট ২০২২

ইরানের চাপের কারণে ইসরায়েলি বাণিজ্যিক বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না ওমান। উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলেও ওমান বিপরীতমুখী অবস্থান নিলো। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।

ইসরায়েল হায়ম পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমান তার আকাশসীমা ইসরায়েলি ফ্লাইটের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা এল আল’র প্রধান নির্বাহী দিনা বেন-তাল এক সপ্তাহ আগে বলেছিলেন, ওমানের আকাশসীমা ব্যবহারের জন্য মাস্কাটের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাবে তেল আবিব।

এর আগে ভারত ও থাইল্যান্ডের মতো গন্তব্যে যেতে দিতে ইসরায়েলি ফ্লাইটগুলোকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয় সৌদি আরব। এরপর ওমানও এ ধরনের অনুমতি দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। ওই সময় বেন-তাল বলেছিলেন, এটি শুধু সৌদি আরব নয়। আমাদের সম্পূর্ণ রুটের অনুমোদন প্রয়োজন।

যদিও এ ধরনের রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি ওমান বা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। ওমান যদি ইসরায়েলকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয় তাহলে ইসরায়েলি বিমানগুলোর সময় ও জ্বালানি বাঁচবে। কিন্তু ওমানের অনুমতি না পাওয়ায় লোহিত সাগরের ওপর দিয়েই যেতে হবে ইসরায়েলি বিমানগুলোকে।