নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও বিলাসিতা পরিহার করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন থেকে তিনি সরকারি গাড়ির পরিবর্তে নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতেই চলাফেরা করবেন। একইসঙ্গে জনদুর্ভোগ কমাতে তার গাড়িবহরের সংখ্যাও কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজের গাড়ি, নিজের চালক ও নিজের ক্রয়করা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। আজ দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সাভার ও শেরে বাংলা নগর গিয়েছিলেন নিজের টয়েটা গাড়ি চড়ে, সেখান থেকে সচিবালয়ে গিয়েছেন সেই গাড়িতেই।
তিনি আরও বলেন, যানজটের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা হয়েছে। এতোদিন প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের সংখ্যা ছিলো ১৩/১৪টি। আজ সেটি কমিয়ে ৪টি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী পতাকাবিহীন গাড়ি ব্যবহার করছেন। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান অথবা বিদেশি মেহমানদের সফর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে পতাকা ব্যবহৃত হবে বলে জানান রুমন।
বিএনপি মিডিয়া সেলের এ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হলে সব মন্ত্রীদের সচিবালয় থেকে একটা জট সৃষ্টি হয়, ভিআইপি চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মুখে পড়ে। সেসব কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে বেশিরভাগ সময়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপথে সড়কের দুইধারে পোষাকধারী পুলিশের অবস্থানের যে বিধান তা বন্ধ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান রুমন।
সকালে গুলশানের বাসা থেকে নিজের সাদা টয়োটা গাড়িতে চড়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই সময়ে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কম ছিল।
সাভার থেকে প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুস্পস্তবক অর্পন করেন। দুই জায়গাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পুরো মন্ত্রিসভার সদস্যরা ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে যান।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















