Dhaka শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে : আলী রীয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জনগণ আর পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। এটি গণভোটের ফলাফল থেকে স্পষ্ট।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা অত্যন্ত সুস্পষ্ট এবং দ্বিধাহীনভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব সমূহের অনুকূলে তাদের রায় দিয়েছেন। এই রায় থেকে এটা স্পষ্ট, বাংলাদেশের নাগরিকদের বৃহদাংশ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বা স্থিতাবস্থা রাখতে চান না। তারা চান পরিবর্তন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় সংস্কার।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন ভোটার; যা মোট ভোটের প্রায় ৬০.৮৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৪ কোটি ৮২ লক্ষ ৬৬০ জন ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন; যা কাস্ট হওয়া মোট ভোটের ৬৮.০৬ শতাংশ। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন ভোটার; যা কাস্ট হওয়া ভোটের প্রায় ৩১ শতাংশ। লক্ষণীয় যে ভোটারদের ৬০ শতাংশেরও বেশি গণভোটে অংশ নিয়েছেন; তা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও এক শতাংশ বেশি।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গণভোটের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশ্যে বলেছিলেন একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে হবে না। জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি, পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে জনগণের সম্মতি থেকেই। তাই দেশের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেওয়াই হলো গণতান্ত্রিক পথের মূল ভিত্তি। এই লক্ষ্যেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি, যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারের দিশা নির্ধারণে জনগণ সরাসরি নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারেন। জনগণ তার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন। সংস্কারের পক্ষে জনরায় এসেছে।

আলী রীয়াজ বলেন, জনগণের এই রায় হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, যারা অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন, তারা আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তার স্বীকৃতি। তাদের দেওয়া দায়িত্ব পালনের জন্য জনগণের অঙ্গীকার। প্রায় ১৬ বছর ধরে যে বীরের রক্তস্রোত, মাতার অশ্রুধারা, নির্যাতিতের হাহাকার; তার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের জনমত আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ এই গণভোট। সার্বভৌম জনগণের যে অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছিল ২০২৪ সালে; গণভোটের মধ্যে দিয়ে এই রায় পুনর্বার প্রকাশিত হলো। আমাদের এই বিষয়গুলো বিস্মৃতত হবার সুযোগ নেই।

গণভোটের মধ্য দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর বলে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, গণভোটের মধ্য দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। রাষ্ট্র সংস্কারের ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারাবদ্ধ।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দল এবং জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে প্রতিনিধিত্বকারী দল এবং সংসদের বাইরেও যেসব রাজনৈতিক দল আছেন তাদের সকলের প্রতি আহবান হচ্ছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যম ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার সময় ভিন্নমতের প্রতি যে শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা রাজনৈতিক দলগুলো দেখিয়েছেন এবং আপস-সমঝোতার যে ঐতিহ্য রচনা করেছেন তা অব্যাহত রেখে আপনাদের প্রণীত জনরায় সমর্থিত এই দলিল বাস্তবায়নের দায়িত্ব আপনাদের ওপরে অর্পিত হয়েছে।

আলী রীয়াজ বলেন, জনসমাজের প্রতি আহবান তারা যেন এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে সহযোগিতা করেন। আমার বিশেষভাবে তরুণদের প্রতি আহ্বান— ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আপনাদের, সেই বাংলাদেশ গঠনের কাজে অগ্রণী হোন।

প্রচার ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, সিভিল সোসাইটি, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং বিভিন্ন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বিশেষভাবে জুলাই শহীদদের পরিবার, জুলাইযোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন ও সুজনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নেতৃত্বে প্রচার ভিডিও ও ভোটের গাড়ির মাধ্যমে বার্তা গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগকে অভূতপূর্ব ও অভাবনীয় বলে অভিহিত করেন আলী রীয়াজ।

মিডিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ইতিবাচক ও সমালোচনামূলক—সব ধরনের কণ্ঠস্বরই গণতান্ত্রিক সমাজে অপরিহার্য। গণরায় বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আলাপ–আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি এবং তরুণদের দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অগ্রণী হওয়ার আহ্বান জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নতুন সংসদ সদস্যদের এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে অভিনন্দনও জানান আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি সত্যিকারের নির্বাচনে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সকল ধরনের ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার আশঙ্কাকে নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী জনসাধারণকেও অভিনন্দন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আমিনুল হকের, গেজেট স্থগিতের দাবি

হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে : আলী রীয়াজ

প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জনগণ আর পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে যেতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোটের মাধ্যমে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। এটি গণভোটের ফলাফল থেকে স্পষ্ট।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা অত্যন্ত সুস্পষ্ট এবং দ্বিধাহীনভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব সমূহের অনুকূলে তাদের রায় দিয়েছেন। এই রায় থেকে এটা স্পষ্ট, বাংলাদেশের নাগরিকদের বৃহদাংশ আর পুরনো ব্যবস্থায় ফিরে যেতে বা স্থিতাবস্থা রাখতে চান না। তারা চান পরিবর্তন, রাষ্ট্রব্যবস্থায় সংস্কার।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোটে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন ভোটার; যা মোট ভোটের প্রায় ৬০.৮৪ শতাংশ। এর মধ্যে ৪ কোটি ৮২ লক্ষ ৬৬০ জন ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন; যা কাস্ট হওয়া মোট ভোটের ৬৮.০৬ শতাংশ। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন ভোটার; যা কাস্ট হওয়া ভোটের প্রায় ৩১ শতাংশ। লক্ষণীয় যে ভোটারদের ৬০ শতাংশেরও বেশি গণভোটে অংশ নিয়েছেন; তা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও এক শতাংশ বেশি।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা গণভোটের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশ্যে বলেছিলেন একটি জাতীয় রূপান্তর কখনোই একক সিদ্ধান্ত বা একক শাসনের মাধ্যমে হবে না। জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি, পরিবর্তনের চূড়ান্ত বৈধতা আসে জনগণের সম্মতি থেকেই। তাই দেশের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনা নির্ধারণে জনগণকে সরাসরি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেওয়াই হলো গণতান্ত্রিক পথের মূল ভিত্তি। এই লক্ষ্যেই আমরা গণভোটের আয়োজন করেছি, যাতে দেশের ভবিষ্যৎ সংস্কারের দিশা নির্ধারণে জনগণ সরাসরি নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারেন। জনগণ তার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন। সংস্কারের পক্ষে জনরায় এসেছে।

আলী রীয়াজ বলেন, জনগণের এই রায় হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, যারা অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন, তারা আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন তার স্বীকৃতি। তাদের দেওয়া দায়িত্ব পালনের জন্য জনগণের অঙ্গীকার। প্রায় ১৬ বছর ধরে যে বীরের রক্তস্রোত, মাতার অশ্রুধারা, নির্যাতিতের হাহাকার; তার যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের জনমত আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ এই গণভোট। সার্বভৌম জনগণের যে অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছিল ২০২৪ সালে; গণভোটের মধ্যে দিয়ে এই রায় পুনর্বার প্রকাশিত হলো। আমাদের এই বিষয়গুলো বিস্মৃতত হবার সুযোগ নেই।

গণভোটের মধ্য দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর বলে মন্তব্য করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, গণভোটের মধ্য দিয়ে সংস্কারের ব্যাপারে যে সুস্পষ্ট গণরায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। রাষ্ট্র সংস্কারের ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারাবদ্ধ।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দল এবং জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদে প্রতিনিধিত্বকারী দল এবং সংসদের বাইরেও যেসব রাজনৈতিক দল আছেন তাদের সকলের প্রতি আহবান হচ্ছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যম ঐক্যবদ্ধভাবে এই গণরায় বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার সময় ভিন্নমতের প্রতি যে শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা রাজনৈতিক দলগুলো দেখিয়েছেন এবং আপস-সমঝোতার যে ঐতিহ্য রচনা করেছেন তা অব্যাহত রেখে আপনাদের প্রণীত জনরায় সমর্থিত এই দলিল বাস্তবায়নের দায়িত্ব আপনাদের ওপরে অর্পিত হয়েছে।

আলী রীয়াজ বলেন, জনসমাজের প্রতি আহবান তারা যেন এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে সহযোগিতা করেন। আমার বিশেষভাবে তরুণদের প্রতি আহ্বান— ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আপনাদের, সেই বাংলাদেশ গঠনের কাজে অগ্রণী হোন।

প্রচার ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, সিভিল সোসাইটি, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং বিভিন্ন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বিশেষভাবে জুলাই শহীদদের পরিবার, জুলাইযোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন ও সুজনের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর নেতৃত্বে প্রচার ভিডিও ও ভোটের গাড়ির মাধ্যমে বার্তা গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগকে অভূতপূর্ব ও অভাবনীয় বলে অভিহিত করেন আলী রীয়াজ।

মিডিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ইতিবাচক ও সমালোচনামূলক—সব ধরনের কণ্ঠস্বরই গণতান্ত্রিক সমাজে অপরিহার্য। গণরায় বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আলাপ–আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি এবং তরুণদের দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অগ্রণী হওয়ার আহ্বান জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নতুন সংসদ সদস্যদের এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে অভিনন্দনও জানান আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি সত্যিকারের নির্বাচনে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সকল ধরনের ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার আশঙ্কাকে নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী জনসাধারণকেও অভিনন্দন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন।