আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব (অবিচুয়ারি রেফারেন্স) গ্রহণ করার কথা রয়েছে। আজ বুধবার থেকেই ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা ও নিম্নকক্ষ লোকসভায় এই প্রস্তাব আনা হবে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
খালেদা জিয়া ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। খালেদা জিয়া তিন মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে দুটি পূর্ণ মেয়াদ ও একটি খুবই সংক্ষিপ্ত।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হবে। এরপর রাজ্যসভার কার্যতালিকা (লিস্ট অব বিজনেস) অনুযায়ী, রাজ্যসভায় সাবেক এমপি এল গণেশন ও সুরেশ কলমাদির মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। লোকসভায় সাবেক এমপি শালিনী পাতিল, ভানু প্রকাশ মির্ধা, সত্যেন্দ্র নাথ ব্রহ্ম চৌধুরী, সুরেশ কলমাদি এবং কবীন্দ্র পুরকায়স্থের মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
রাজ্যসভায়, পার্লামেন্টে মহাসচিব ২৬৯তম রাজ্যসভা অধিবেশনে উভয় কক্ষে পাস হওয়া এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়া বিলগুলোর একটি বিবরণী টেবিলে উপস্থাপন করতে পারেন।
সংসদের বাজেট অধিবেশন আজ শুরু হচ্ছে, যেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের দুই কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। এই অধিবেশন মোট ৬৫ দিনে ৩০টি কার্যদিবস নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং শেষ হবে ২ এপ্রিল। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সংসদের উভয় কক্ষ অবকাশে যাবে এবং ৯ মার্চ পুনরায় অধিবেশন শুরু হবে। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনুদানের দাবি (ডিমান্ডস ফর গ্রান্টস) পর্যালোচনার জন্য সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো কাজ করবে।
অধিবেশনের প্রথম পর্বে মূলত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেট-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা হবে। অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রধানত আলোচনার জন্য গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে ভারতের অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকোনমিক সার্ভে) ২৯ জানুয়ারি উপস্থাপন করা হবে। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-২৭ পেশ করা হবে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা নথিটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের অর্থনৈতিক শাখা প্রস্তুত করেছে। এটি প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে প্রণীত। এই প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (এপ্রিল-মার্চ) অর্থনীতির অবস্থা ও বিভিন্ন সূচকের বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী অর্থবছরের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 




















