চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :
সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, মানুষ পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায়। আমাদেরকে দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে দিকে চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। তাই ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এসেছে পরিবর্তনের জন্য। বাংলাদেশের মানুষ চায় নিরাপদ পরিবেশ, নিরাপদ চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সন্তানদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধা।
তিনি বলেন, আমাদের এই পরিকল্পনা তরুণ প্রজন্মকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে জনসংখ্যার অর্ধেক তরুণ, যারা কর্মসংস্থান ও নিরাপদ জীবন চায়। বিএনপি হিসেবে আমরা চেষ্টা করি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সরকারের সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছে। আমরা দেশের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলাম।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আজ আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি একটা লক্ষ্য সামনে রেখে। অর্থাৎ, একটি পরিবর্তন সামনে রেখে আমরা একত্রিত হয়েছি। এই সেই চট্টগ্রাম, এই সেই পুণ্যভূমি, যেখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আবার চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শহীদ হয়েছিলেন। এই চট্টগ্রামেই খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। তাই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার এবং আমার পরিবারের এক গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি বলেন, এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি ও আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, এ অঞ্চলে মানুষের একটি বড় দাবি আছে, যেটির উদ্যোগ বিএনপি সরকার গ্রহণ করেছিল, কিন্তু সময়ের অভাবে সম্পূর্ণ করে দিতে পারেনি। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি গত ১৫ বছর এই উদ্যোগ নিয়ে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এই উদ্যোগ নেওয়া হলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষের কর্মসংস্থান গড়ে উঠবে। সেই উদ্যোগটি হচ্ছে বাণিজ্যিক রাজধানী।
তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ আগামী নির্বাচনে আপনাদের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে বেগম খালেদা জিয়ার সেই বাণিজ্যিক রাজধানী করার উদ্যোগ যত দ্রুত সম্ভব বিএনপি বাস্তবায়ন করবে।
চট্টগ্রামসহ সারা দেশের জলাবদ্ধতার সমস্যা তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। একারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খালকাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান। ইনশাআল্লাহ আমরা দুহাতে কোদাল দিয়ে খাল খনন শুরু করব, যাতে করে জলাবদ্ধতার বড় সমস্যা দূর করা যায়।
তারেক রহমান বলেন, এই চট্টগ্রামে ইপিজেড আছে, যেখানে মানুষ চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। এখানে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি বলেন, আপনাদের জানা আছে, এই ইপিজেডগুলো বিএনপির আমলেই হয়েছিল। আগামীতে যদি আমরা সরকার গঠন করি, তাহলে এরকম আরও অনেক ইপিজেড গড়ে তুলবো। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলন সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন এমন একটি অর্থবহ পরিবর্তন চায়, যার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিক উন্নত শিক্ষা ও সুচিকিৎসার সুনিশ্চিত সুযোগ পাবে।

তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।
বিএনপির ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি একমাত্র দল, যারা যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।
তারেক রহমান বলেন, আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, সরকারে গেলে ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করবো। পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়ন করতে হয় তাহলে বিএনপিকে সরকার গঠন করতে হবে। আপনারা বিএনপির পাশে থাকেন।
শিক্ষা খাতে পরিবর্তনের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা হবে। বড় বড় হাসপাতালের ঘোষণা নয়, গ্রামাঞ্চলের মানুষের ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় বিএনপি। এজন্য এক লাখ হেলথ কেয়ার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বিতার সুযোগ তৈরি না হলে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ দেশের সব পরিবারের নারীদের কাছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, সরকার গঠনে সমর্থ হলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে চাই। আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের ঘরে পৌঁছে দেব। সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশের মানুষের অর্ধেক নারী। ওই নারীকে কর্মহীন রেখে দেশেকে প্রত্যাশিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে পারবো না। খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিল তখন মেয়েধের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা বেতনে করা হয়েছিল। নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে চাই। গ্রামগঞ্জসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারীদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে হলে কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এজন্য আমরা কৃষক ও কৃষাণীদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। ওই কার্ড ব্যবহার করে তার স্বল্পমূল্যে ঋণ নিতে পারবে। এতে তারা তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে পারবে।

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার নেওয়া উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। এতে করে এই অঞ্চলের মানুষ ব্যাংকিং সুবিধাসহ নানা সেবা নিজ এলাকায় বসেই পাবে। সারাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হলে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং মানুষ স্বাভাবিকভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি যদি সরকার গঠন করতে পারে তাহলে জনমানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি কঠোর হস্তে দুর্নীতি মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি অতীতে প্রমাণ করেছে, একমাত্র বিএনপির পক্ষেই সম্ভব সেই বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সেটি হলো—দুর্নীতি। যেকোনো মূল্যে আগামী বিএনপি সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে— এই দুটি হচ্ছে আমাদের কমিটমেন্ট এই দেশের মানুষের কাছে। কারণ বিএনপি সরকার অতীতেও প্রমাণ করেছে ’৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যেই সরকার ছিল, তারা দুর্নীতিতে দেশকে নিচের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। ২০০১ সালে যখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আপনাদের রায়ে দেশের দায়িত্ব পান, তখন ধীরে ধীরে ধীরে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে দেশকে বের করে নিয়ে এসেছেন।
তিনি বলেন, আজকে আমি আপনাদেরসহ এখানে হাজার-লক্ষ মানুষের সামনে পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই আমরা যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি, সেসব পরিকল্পনার মধ্যে কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বা দুর্নীতির মাধ্যমে সেগুলোকে বাধাগ্রস্ত করেন; তাদেরকে কোনো ছাড় আমরা দেব না ইনশাআল্লাহ। প্রিয় ভাই-বোনেরা, আজ সময় এসেছে পরিবর্তনের। এই পরিবর্তনকে যদি সত্যিকারভাবে মিনিংফুল পরিবর্তন করতে হয়, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হয়; তাহলে আমাদের সকলকে আজ ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দুর্নীতি মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে কোনো পরিকল্পনায় কাজে দেবে না বলে মনে করেন বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি—সব করতে পারে। প্রিয় ভাই-বোনেরা, বিগত সময় যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনা করেছেন, আপনারা দেখেছেন যেই হোক না কেন এমনকি আমাদের দলের অনেক লোক—যারা কোনো অনৈতিক কাজে নিজেকে জড়িত করেছে; আমরা তাদেরকেও ছাড় দেইনি। আজ এই দেশের জনগণ, এই দেশের মানুষ যদি বিএনপির পাশে থাকে- ইনশাআল্লাহ আগামী দিনেও আমরা একইভাবে কঠোর হস্তে দেশের আইনশৃঙ্খলাকে নিয়ন্ত্রণ করব; যাতে দেশের সাধারণ মানুষ খেটে খাওয়া মানুষ যাতে করে নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।
ভোটাধিকার নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে তারেক রহমান বলেন, ২০১৫ সালের মতো আবারও মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত শুরু হয়েছে। তাই নিজেদের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার রক্ষায় সবাইকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকতে হবে।
ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, যেন ভোটের অধিকার কেউ কেড়ে নিতে না পরে। সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ভোটের দিন সবাইকে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েই কেন্দ্রের সামনে চলে যেতে হবে এবং কেন্দ্রের সামনেই জামাতে ফজরের নামাজ পড়বেন। এরপরই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে যেতে হবে।
জবাবদিহিতার গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীদের নির্বাচিত করলে তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। কোনো অভিযোগ থাকলে সরাসরি তাদের জানানো যাবে। প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই মানুষগুলোই আপনাদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করবে। পরিশেষে, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ ধ্বনি দিয়ে তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট বিপ্লব ঘটানোর আহ্বান জানান।

‘কথা একটাই, করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ – এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।
এ সমাবেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীরা ছিলেন। মঞ্চে প্রথম সারিতে আছেন—বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য উদয় কুমার বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী সাঈদ নোমান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের প্রার্থী সারোয়ার নিজাম, চট্টগ্রাম—৮ আসনের প্রার্থী আবু সুফিয়ান, কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সুকোমল বড়ুয়া, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম সিটির মেয়র শাহাদাত হোসেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এস এম ফজলুল হক, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এম নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, খাগড়াছড়ির প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভুইঁয়া, কক্সবাজারের প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য ম্যামাসিং, বান্দরবান জেলা বিএনপির আহবায়ক জেরি প্রো চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নারী বিষয়ক সম্পাদক বেগম নুরে আরা সাফা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি আহবায়ক ইদ্রিস মিয়া, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ, চট্টগ্রাম-৩ আসনের প্রার্থী মোস্তফা কামাল, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দ্বীপন দেওয়ান তালুকদার।
মঞ্চে দ্বিতীয় সারিতে আছেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ। পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে হোটেল রেডিসন ব্লুতে ‘ইয়ুথ পলিসি টকে’ বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। সেখান থেকে তার গাড়ি বহর লালখান বাজার মোড় হয়ে জনতার ভিড় পেরিয়ে সমাবেশস্থলে পৌঁছায়।
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি 






















